|
|
‘শিক্ষাই আলো, শিক্ষাই সমৃদ্ধি,
আমার শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করুন’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে
জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে আজ ২৯ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার
বাংলাদেশ প্রেস ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হল একটি
সচেতনতামূলক বিতর্ক৷ জাতীয়
কন্যাশিশু এডভোকেসি ফোরাম ও ডিবেট ফর ডেমোক্রেসী-এর যৌথ আয়োজনে
এবং খ্রীষ্টিয়ান কমিশন ফর ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ (সিসিডিবি)’র
সহযোগিতায় দেশের খ্যাতনামা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তার্কিকদের
অংশগ্রহণে ‘এইচআইভি-এইডস্ কেবলমাত্র একটি স্বাস্থ্য সমস্যা’
শীর্ষক এই বিতর্ক ও কুইজ কম্পিটিশনে প্রধান অতিথি হিসেবে
উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিশ্বদ্যিালয়ের উপাচার্য বিশিষ্ট
শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. ওয়াকিল আহমদ৷
জাতীয় কন্যাশিশু এডভোকেসি ফোরামের সভাপতি এবং দি হাঙ্গার
প্রজেক্ট-বাংলাদেশের গ্লোবাল ভাইস প্রেসিডেন্ট ও কান্ট্রি
ডিরেক্টর ড. বদিউল আলম মজুমদার-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে
মডারেটর এর ভূমিকা পালন করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসী’র চেয়ারম্যান
জনাব হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ৷
জাতীয় কন্যাশিশু এডভোকেসি ফোরামের সম্পাদক নাছিমা আক্তার জলি’র
সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনায় অতিথি বক্তা হিসেবে উপস্থিত
ছিলেন কন্যাশিশু এডভোকেসি ফোরামের সহ-সভাপতি অধ্যাপক লতিফা
আকন্দ, ভাষা সৈনিক ও শিশু সাহিত্যিক অধ্যাপক ড. হালিমা খাতুন,
বাংলাদেশ টেলিভিশনের সাবেক মূখ্য বার্তা সম্পাদক রফিকুল ইসলাম
সরকার, সিসিডিবি’র প্রোগ্রাম অফিসার জনাব নূরুল আলম প্রমুখ৷
সচেতনতামূলক বিতর্কে অংশগ্রহণকারী বক্তারা হচেছ নেওয়াজুল কবির,
সেন্ট যোশেফ স্কুল, মোহাম্মদপুর, ফাতেমা নাসরিন জাহান, শেরে
বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা, মুহাম্মদ মাসুদুর রহমান,
সোশ্যাল
ওয়েলফেয়ার
ডিবেটিং ক্লাব, সমাজ কল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট, ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়, বুশরা বিনতে বাতেন, শহীদ বীর উত্তম লেফটেনন্ট
আনোয়ার গার্লস কলেজ, ঢাকা সেনানিবাস, শেখ আশিক ইকবাল, মুহসীন
হল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং মোঃ মোস্তাফিজুর
রহমান খান, টিভি বিতার্কিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়৷
কুইজ কম্পিটিশনে বিজয়ী হিসেবে নির্বাচিত হয় ছাইদুল আরেফিন, মোঃ
জুয়েল হোসেন, মেহেরাজ সুলতানা, কারিজমা রহমান সিনথিয়া এবং মনন
সিদ্দীকি৷
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন
এইডস্
কেবলমাত্র একটি স্বাস্থ্য সমস্যাই নয়, এটি একটি জেন্ডার ইস্যুও
বটে৷ জেন্ডার বৈষম্যের কারণেও এইডস-এর বিস্-ার দিন দিন বৃদ্ধি
পাচেছ৷ তাই গণসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে বক্তারা আরো
বলেন, এই জেন্ডার বৈষম্যের অবসান ঘটানো না গেলে এইডস্ এর
বিস্তার ক্রমেই আরো বৃদ্ধি পাবে৷
অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী ও বিজয়ীদের মাঝে ক্রেস্ট ও সনদপত্র
বিতরণ করা হয়৷ অনুষ্ঠানে দেশের খ্যাতনামা স্কুল, কলেজ ও
বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিতার্কিক/শিক্ষার্থী, সাংবাদিক,
শিক্ষাবিদ, সমাজকর্মীসহ প্রায় তিন’শ জন উপস্থিত ছিলেন৷
এছাড়া দুপুর ২.৩০টায় জাতীয় কন্যাশিশু এডভোকেসি ফোরামের আয়োজনে
এবং একশন এইড বাংলাদেশ-এর সহযোগিতায় বাংলাদেশ শিল্পকলা
একাডেমী’তে একটি চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়৷
প্রতিযোগিতায় মোট দুইটি গ্রুপে ‘ক’ (আমার বিদ্যালয়) এবং ‘খ’ (স্বপ্নের
বাংলাদেশ) বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চার শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী
অংশগ্রহণ করে৷
|
|