| Main Links |
| |
|
standing Committee of Forum |
| |
|
Recent |
|
|
|
|
জীবনচক্রে নারী-পুরুষের বৈষম্যের পরিণতি
ড. বদিউল আলম মজুমদার* |
|
|
নারী-পুরুষের বৈষম্য সর্বব্যাপী। এ বৈষম্য মানব সভ্যতার আদিকাল
থেকে শুরু হয়েছে। যুগ যুগ ধরে এটি চলমান। সকল সমাজেই এটি
বিদ্যমান, যদিও এর ব্যাপকতার ভিন্নতা রয়েছে। ধনী-দরিদ্র
নির্বিশেষে সমাজের সকল স্-রে এটি দৃশ্যমান। জন্মের পূর্ব থেকে
আমৃত্যু - জীবনের প্রতিটি স্-রে বা পুরো জীবনচক্রে - এটি
বিরাজমান।
ভ্রূণ ও নবজাতক হত্যা
নারী-পুরুষের বৈষম্যের সূচনা হয় জন্মের আগ থেকেই। চিকিৎসা
বিজ্ঞানের কল্যাণে বর্তমানে গর্ভাবস্থায় ভ্রূণের লিঙ্গ চিহ্নিত
করা সম্ভব। অনেক সমাজে আর্থ-সামাজিক কারণে ছেলে শিশুর প্রতি
অধিক আকর্ষণের ফলে এ প্রযুক্তি ভ্রূণ হত্যার সহায়ক হিসেবে কাজ
করে। যদিও এ অপব্যবহারের প্রমাণ চূড়ান্- নয়, তবুও জন্ম ও
জনমিতির তথ্য থেকে দেখা যায় যে, এশিয়া মহাদেশে, বিশেষত চীন ও
ভারতে পাঁচ বছরের কম বয়সী মেয়েদের তুলনায় ছেলেদের সংখ্যা বেশি।
ভ্রূণ হত্যা প্রতিরোধের ব্যাপারে এ সকল দেশের সুস্পষ্ট
অঙ্গীকার সত্ত্বেও এ নির্মম গণহত্যা ক্রমাগতভাবে চলছে।
সৌভাগ্যবশত বাংলাদেশে এ সমস্যা প্রকট নয়।
বাল্যকাল
বাল্যকালের প্রধান অগ্রাধিকার হওয়া উচিত মানসম্মত প্রাথমিক
শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়া এবং শিশুরা যেনো মাধ্যমিক ও
উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা লাভ করে তা নিশ্চিত করা। তবে কিছু
ব্যতিক্রম ছাড়া, কন্যাশিশুরা সাধারণত শিক্ষা ক্ষেত্রে বৈষম্যের
শিকার।
প্রাথমিক শিক্ষা: বিশ্বব্যাপী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছেলেদের
তুলনায় কন্যাশিশুর ঝরে পড়ার হার ১৫ শতাংশ বেশি। যদিও এক্ষেত্রে
বৈষম্য ক্রমাগতভাবে কমছে, তবুও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া
উন্নয়নশীল দেশের প্রতি পাঁচটি কন্যাশিশুর মধ্যে একটি ঝরে পড়ে।
ঝরে পড়ার কারণে এ সকল কন্যাশিশুর পরিপূর্ণ বিকাশ ব্যাহত হয় এবং
তাদের পরবর্তী জীবন অনেকক্ষেত্রে সমস্যা সঙ্কুল হয়ে পড়ে। গবেষণা
থেকে দেখা যায়, শিক্ষিত নারীদের প্রসবকালীন মৃত্যুর হার
অপেক্ষাকৃত কম এবং তাদের সন্-ানরা অধিক হারে বিদ্যালয়গামী হয়।
প্রাপ্ত তথ্য থেকে আরো দেখা যায় যে, প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্তকারী
মায়ের পাঁচ বছরের কম বয়সী সন্-ানদের তুলনামূলক মৃত্যুর হার
প্রায় অর্ধেক। বাংলাদেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছেলেমেয়েদের ভর্তি
ও ঝরে পড়ার হারে অনেকটা সমতা বিরাজ করলেও, উপবৃত্তি প্রদানের
ক্ষেত্রে দুর্নীতির কারণে অনেক মেয়ের নাম শুধু নামকাওয়াস্-ে
স্কুলের খাতায় অন্-র্ভুক্ত থাকে।
মাধ্যমিক বিদ্যালয়: ইউনিসেফ-এর তথ্যানুযায়ী, সারা পৃথিবীতে
মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের যাওয়ার মত বয়সী কন্যাশিশুদের মাত্র ৪৩
শতাংশ স্কুলে যায় এবং এদের অনেকে ঝরে পড়ে। বাংলাদেশে মাধ্যমিক
পর্যায়ে মেয়েদের ঝরে পড়ার হার ছেলেদের তুলনায় ১০ শতাংশ বেশি।
মেয়েদের স্কুলে না যাওয়ার অনেকগুলো কারণ রয়েছে। অনেক সমাজে
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেরই অভাব বিরাজমান - সার্বজনীন প্রাথমিক
শিক্ষার ওপর অপেক্ষাকৃত জোর দেয়ার ফলে অনেক দেশে প্রয়োজনীয়
সংখ্যক মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয় নি। বাল্যবিবাহ
এর আরেকটি বড় কারণ। শিক্ষার ব্যয় বহনে অভিভাবকদের অক্ষমতাও
আরেকটি কারণ।
মাধ্যমিক শিক্ষার সুফল অনেক। এর মাধ্যমেই প্রথম গর্ভধারণ
বিলম্বিত, মাতৃস্বাস্থ্য সুরক্ষিত এবং কিশোরীদের চলাফেরার
স্বাধীনতা নিশ্চিত করা যায়। একই সাথে নারীর আর্থ-সামাজিক অবস্থা
এবং পরিবার ও সমাজে তাদের অবস্থানে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা
সম্ভব হয়।
বয়ঃসন্ধিক্ষণ
বয়ঃসন্ধিক্ষণে কন্যাশিশুর জন্য সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো নির্যাতন,
এক্সপ্লয়টেশন বা ব্যবহৃত হওয়া ও সহিংসতা। যৌন ও প্রজনন
স্বাস্থ্য এবং এইচআইভি/এইডস সম্পর্কে জ্ঞানের অভাব কিশোরীদের
জন্য আরেকটি বড় ঝুঁকি।
নারীর যৌনাঙ্গের বিকৃতি: অনেক সময় সামাজিক ও চিকিৎসার-জন্য-নয়
এমন কারণে নারীর যৌনাঙ্গ আংশিক বা পুরোপুরিভাবে কেটে ফেলা বা
বিকৃত করা হয়। এ ধরনের ভয়াবহ সংস্কার আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যে
বিরাজমান। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী প্রায় ১৩ কোটি
বর্তমানে-জীবিত-আছেন এমন নারী এ ধরনের সহিংসতার শিকার। এ ধরনের
সহিংসতা নারীদের স্বাস্থ্য, এমনকি জীবনের জন্য ভয়াবহ ঝুঁকির
সৃষ্টি করে। সৌভাগ্যবশত এ ধরনের সমস্যা আমাদের দেশে অনুপস্থিত।
বাল্য বিবাহ ও অপ্রাপ্ত বয়সে সন্-ান ধারণ: বিশ্বব্যাপী ২০ থেকে
২৪ বছর বয়স্ক বিবাহিত নারীদের ৩৪ শতাংশ বাল্যবিবাহের শিকার। ১৮
বছরের কম বয়সী এসকল নারীদের অধিকাংশ দক্ষিণ এশিয়া ও
সাব-সাহারান আফ্রিকার অধিবাসী। বাল্যবিবাহের সমস্যা বাংলাদেশে
প্রকট। ইউনিসেফ-এর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে ১০-১৯ বছর বয়সী
কিশোরীদের মধ্যে শতকরা ৬৭ ভাগই বিবাহিত। বাল্যবিবাহের অনেক
জটিল অর্থনৈতিক ও সামাজিক কারণ রয়েছে, দারিদ্র্য ও যৌন
নির্যাতনের শিকার হওয়ার ঝুঁকি যার অন্যতম।
বাল্যবিবাহের পরিণতি অপ্রাপ্তবয়স্ক মাতৃত্ব। বিশ্বব্যাপী প্রতি
বছর ১৫-১৯ বছর বয়স্কদের মধ্যে আনুমানিক এক কোটি ৪০ লক্ষ কিশোরী
সন্-ান প্রসব করে। বিশ্বের কোটার নারীদের তুলনায় ১৫ বছরের কম
বয়সী কিশোরীদের গর্ভাবস্থায় এবং প্রসবকালীন মৃত্যুর হার
পাঁচগুণ বেশি। ১৯ বছর বয়সোধর্ব মায়েদের তুলনায় ১৮ বছর বয়সের
নিচের মায়েদের সন্-ানের জন্মের প্রথম বছরে মৃত্যুর হার ৬০
শতাংশ বেশি। এ ধরনের মায়েদের শিশুরা বেঁচে থাকলেও, তারা স্বল্প
ওজন ও অপুষ্টিতে ভোগে এবং পরবর্তী জীবনে তাদের শারীরিক ও
মানসিক বিকাশ ব্যাহত হয়।
যৌন হয়রানি ও পাচার: অপ্রাপ্ত বয়স্ক কিশোরীরা সাধারণত বাধ্য
বা ব্যবহৃত হয়ে যৌন কাজে লিপ্ত হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার
তথ্যানুযায়ী, ২০০২ সালে ১৮ বছরের কম বয়সের কিশোরীদের মধ্যে ১৫
কোটি এবং ছেলেদের মধ্যে ৭ কোটি ৩০ লক্ষ বল প্রয়োগ পূর্বক যৌন
হয়রানি এবং যৌন সহিংসতার শিকার। বিবাহ ও যৌন কার্যক্রমে
লিপ্ত হওয়ার কোন ন্যূনতম বাঁধাধরা বয়স না থাকার ফলে, অনেক দেশে
কিশোরীরা সহযোগীদের সহিংসতার শিকার হয়। বাংলাদেশেও এ সমস্যা
বিরাজমান। উদাহরণস্বরূপ, ....
বিশ্বব্যাপী ১ কোটি ৮০ লক্ষ কিশোরী পতিতা বৃত্তিতে লিপ্ত। এদের
অধিকাংশই বিভিন্ন কারণে বাধ্য হয়ে এ কাজে লিপ্ত হয়েছে। অনেকেই
পাচার হয়ে পতিতালয়ে স্থান পেয়েছে। বাংলাদেশেও ব্যাপকভাবে এ
সমস্যা বিরাজমান। পতিতাবৃত্তিতে লিপ্ত মেয়েরা সাধারণত অযত্ন,
যৌন সহিংসতা এবং শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার।
যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য: প্রতিরক্ষাহীন যৌন কার্যক্রম ও
অনাকাঙিক্ষত গর্ভধারণ এইডস-এর মতো দুরারোগ্য ব্যাধির কারণ। তাই
কিশোরীদের যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা
থাকা আবশ্যক। তথ্য সুরক্ষার নিশ্চয়তা না দিলেও, তথ্য জানার কোন
বিকল্প নাই। তা সত্ত্বেও বাংলাদেশসহ পৃথিবীর প্রায় প্রত্যেক
দেশেই কিশোর-কিশোরীদের প্রজনন স্বাস্থ্য এবং এ সম্পর্কিত ঝুঁকি
সম্পর্কে ধারণা অত্যন্- সীমিত।
এইচআইভি/ এইডস: ২০০৫ সাল পর্যন্- পৃথিবীর প্রায় ৪ কোটি এইচআইভি
আক্রান্-দের মধ্যে প্রায় অর্ধেক নারী। আফ্রিকা ও ক্যারিবিয়ান
অঞ্চলের সমবয়স্ক ছেলেদের তুলনায় ১৫-২৪ বয়স্ক নারীদের এইচআইভি
এইডস-এ আক্রান্- হওয়ার ঝুঁকি প্রায় ছয়গুণ বেশি। এর একটি কারণ
হলো যে, জৈবিকভাবেই যৌন কার্যক্রমে লিপ্ত হওয়ার মাধ্যমে
নারীদের এই রোগে আক্রান্- হওয়ার ঝুঁকি দ্বিগুণ। এছাড়াও
পুরুষতান্ত্রিক সমাজে অনেক নারীই পুরুষের চাপ প্রতিহত করতে
পারে না। পুরুষদের বহুগামিতার কারণেও নারীদের মধ্যে এইডস-এ
আক্রান্- হওয়ার হার বৃদ্ধি পায়। নিরক্ষরতার কারণে নারীরা অনেক
সময় এইচআইভি ঝুঁকি এবং তা থেকে প্রতিরক্ষার পদ্ধতি সম্পর্কে
অজ্ঞ থাকেন। সাব-সাহারান আফ্রিকার ২৪টি দেশের মধ্যে পরিচালিত
জরিপ থেকে দেখা যায় যে, ওই অঞ্চলের দুই-তৃতীয়াংশ কিশোরীর
এইচআইভি/এইডস-র সম্পর্কে ধারণা অস্পষ্ট। বাংলাদেশে এ সমস্যা
এখনো প্রকট না হলেও, আমরা বড় ধরনের ঝুঁকির মধ্যে আছি ।
সারা বিশ্বে মায়েদের মধ্যে এইচআইভি/এইডস-এর সংক্রমণ দ্রুত
বৃদ্ধির ফলে তা শিশুদের মধ্যেও দ্রুত হারে ছড়াচ্ছে। শিশুরা
গর্ভকালীন, প্রসবকালীন এবং মাতৃদুগ্ধ পানের সময় এ রোগে
আক্রান্- হতে পারে। ২০০৫ সালে ১৪ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে
২ লক্ষ শিশু এইচআইভি/এইডস দ্বারা আক্রান্- হয়।
মাতৃত্ব ও বৃদ্ধকাল
মাতৃত্বকালে সময়ে ও বৃদ্ধ বয়স নারীদের জীবনে দারিদ্র্য ও
বৈষম্যের প্রভাব অত্যন্- ভয়াবহ।
মাতৃমৃত্যু: প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, বছরে প্রায় ৫ লক্ষ নারী -
আনুমানিক প্রতি মিনিটে একজন - গর্ভজনিত জটিলতার কারণে ও
প্রসবকালে মৃত্যুবরণ করে। এদের ৯৯ শতাংশই উন্নয়নশীল দেশের এবং
৯০ শতাংশ আফ্রিকা ও এশিয়ার নারী। ২০০০ সালের মোট মাতৃমৃত্যুর
দুই-তৃতীয়াংশ ঘটেছে ১৩টি উন্নয়নশীল দেশে। একই বছর ভারতীয়
মাতৃমৃত্যুর পরিমাণ সারা পৃথিবীর মাতৃমৃত্যুর সংখ্যার আনুমানিক
এক-চতুর্থাংশ। আর বাংলাদেশের এ সংখ্যা প্রতি লাখে ৩৬০ জন।
শিল্পোন্নত দেশের প্রতি ৪ হাজার গর্ভবতী নারীর মধ্যে যেখানে ১
জন মৃত্যুবরণ করে, সেখানে সাব-সাহারান আফ্রিকার প্রতি ১৬ জনের
মধ্যে ১ জনের এমন পরিণতি ঘটে। মাতৃহীন নবজাতকদের মৃত্যুর হার
তুলনামূলকভাবে ৩-১০ গুণ বেশি। প্রশিক্ষিত দাইয়ের সেবাসহ
প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা এবং জটিলতার ক্ষেত্রে জরুরি প্রসূতিসেবা
পেলে এসকল নারীদের অনেকেরই জীবন রক্ষা করা সম্ভব হতো।
বৃদ্ধবয়সে নারী: বার্ধক্য এবং নারী হওয়ার কারণে বৃদ্ধ বয়সে
নারীরা দ্বিগুণ বৈষম্যের শিকার হয়। নারীদের আয়ুস্কাল
অপেক্ষাকৃত দীর্ঘ হওয়ায়, সম্পদের ওপর তাদের অধিকার না থাকায়
এবং পারিবারিক উত্তরাধিকারে তাদের প্রতি বৈষম্যের কারণে বৃদ্ধ
বয়সের নারীরা অনেকক্ষেত্রে, তাদের জীবনের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ
মুহূর্তের্, আর্থিক সঙ্কটে পতিত হন। খুব কম উন্নয়নশীল দেশেই এ
সকল নারীদের জন্য কোনোরূপ নিরাপত্তা কাঠামো বিরাজমান।
মাতামহরা মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য এবং যত্ন সম্পর্কে অধিক জ্ঞান
ও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন। অনেক পরিবারে, বিশেষত যেখানে বাবা-মা উভয়ই
কর্মজীবী, সেখানে দাদী-নানীরাই সাধারণত শিশুদের লালন পালন
করেন। অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যায়, সেসকল কর্মসূচির মাধ্যমেই
শিশুদের অধিকার অধিক সমুন্নত হয়, যে কর্মসূচিতে শিশু ও
পরিবারের সঙ্গে সঙ্গে বয়স্ক নারীদেরকেও অন্-র্ভুক্ত করা হয়।
এটি সুস্পষ্ট যে, জন্মের পূর্ব থেকে মৃত্যু পর্যন্- নারীরা
বৈষম্য ও বঞ্চনার শিকার। সকল বয়সের নারীকে এর মাশুল গুণতে হয়,
অনেক ক্ষেত্রে প্রাণ দিয়ে। শুধু তাই নয়, পুরো সমাজকেও এ
বঞ্চনার দায়ভার বহন করতে হয়। বাংলাদেশের মতো অর্থনৈতিকভাবে
পিছিয়ে পড়া দেশে এ পরিণতি অত্যন্- অশুভ। যেমন, নারীর প্রতি
বঞ্চনার কারণে সৃষ্ট সমাজে বিরাজমান উচ্চহারের পুষ্টিহীনতা, যা
উৎপাদনশীলতা হ্রাস করে, আমাদের জাতীয় অগ্রগতির পথে এটি বিরাট
প্রতিবন্ধকতা। এ প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণে প্রয়োজন নারীর প্রতি
বৈষ্যমার অবসান এবং তাদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করা। আর এজন্য
প্রয়োজন আমাদের পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতার আমূল পরিবর্তন।
(ইউনিসেফ-এর ‘দি স্টেট অফ দি ওয়াল্ড’স চিলড্রেন ২০০৭’ সহায়তায়
রিখিত)
|
|
|
|
|
|
National
Girl Child Advocacy Forum |
|
|
Contact Us
3/7 Asad Avenue Mohammodpur,
Dhaka-1207
Ph-(880-2) 8112622, (880-2) 8127975,
Fax-(880-2) 8116812, E-mail-thpb@bangla.net |
|