|
|
বাড়িতে যখন বেশ ধুমধাম করে বড় বোনের
বিয়ের আয়োজন চলছিল; তখন তাকে থাকতে হয়েছিল আড়ালে-আবডালে৷ বুঝতে
পারেন তিনি আর সবার মত নন! তিনি তৃতীয় প্রকৃতির মানুষ৷ নিজেকে
লুকিয়ে রাখার ঘটনাটি শৈশবস্মৃতিতে তাকে অনেক বেশি তাড়িত করত৷
পরিবারের কেউ তার সঙ্গে স্বাভাবিক আচরণ পর্যন্ত করত না৷ ফলে
কেমন যেন এক বিভ্রান্তিকর শৈশব কাটে তার? শৈশবস্মৃতির এই কথা
প্রতি মূহুর্তেই কষ্টের কারণ৷ তবে পড়াশুনার ব্যাপারে পরিবারের
কারো কোনো আপত্তি ছিল না৷ এটিই ছিল প্রকৃত মানুষ হয়ে ওঠার পেছনে
ইভানের শৈশবের সবচেয়ে বড় দিক৷
ইভান আহাম্মেদ কথা৷ জন্ম ১৯৬৮ সালের ১০ জুলাই ঢাকার বড় মগবাজারে৷
বাবা মরহুম আমির উদ্দিন আহাম্মেদ ছিলেন খিলগাঁও রেলওয়ের
কর্মকর্তা৷ মা রোজিয়া আহাম্মেদ বেলা গৃহিণী৷ ছয় ভাই-বোন নিয়ে
পরিবারের সদস্য সংখ্যা ছিল আট জন৷ আর্থিকভাবে সচছল পরিবারে
শৈশবে অভাব-অনটনের সম্মুখীন হতে হয়নি৷ কিন্তু ইভান ১৯৭৫ সালে
খিলগাঁও প্রাইমারি স্কুল থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্ত করেন৷
১৯৮৯ সালে মতিঝিল আইডিয়াল হাইস্কুল থেকে প্রথম বিভাগে এসএসসি
পাশ করেন৷ ১৯৯১ সালে নটরডেম কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন৷
বিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী ইভানের ছেলেবেলায় স্বপ্ন
ছিল, ডাক্তার হবেন৷ সময়ের নানা প্রতিকূলতায় সে স্বপ্নপূরণ হয়নি৷
এরপর আর পড়াশুনা অগ্রসর হয়নি৷ ইভান সাংস্কৃতিক অঙ্গনে পারদর্শী
হওয়ার জন্য নিজেকে গড়তে শুরু করেন৷ তিনি নৃত্য, সঙ্গীত,
অভিনয়ের উপর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন৷ এ সময়ে তিনি ‘বাফা’ থেকে
তিন বছরের নৃত্যের একটি কোর্স সম্পন্ন করেন৷ এরপর তিনি অন্যকে
নাচের প্রশিক্ষণ দিতে থাকেন৷ এছাড়া স্বেচছাশ্রমের ভিত্তিতে
বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতেন৷
বদলে যাওয়া ইভান
স্বাধীনভাবে বেড়ে ওঠার সুযোগ পাননি বলেই হয়তো নিজ চেষ্টার গুণে
ইভানের এগিয়ে চলা৷ কিন্তু একটা সময় ছিল, যখন তাকে বার বার
স্মরণ করিয়ে দেওয়া হত, তিনি আর সবার মত স্বাভাবিক নন৷ নানা
ধরনের তুচছ-তাচিছল্যেকে তিনি সর্বদা দূরে ঠেলেই পথ চলেছেন৷ আর
তাই সাফল্যও তাকে স্পর্শ করেছে৷ যতটা প্রত্যাশা তার চেয়ে
ক্ষেত্রবিশেষে অনেকবেশি প্রাপ্তি ঘটেছে তার৷
‘বিকশিত নারী নেটওয়ার্কে’র প্রশিক্ষণটিই মূলত একজন মানুষ হয়ে
ওঠার পেছনে তাকে অনেক বেশি শক্তি ও প্রেরণা দিয়েছে৷ এ প্রসঙ্গে
তিনি জানালেন, ‘দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-বাংলাদেশ এর মোহাম্মদপুর
কেন্দ্রিয় অফিসে অনুষ্ঠিত বিকশিত নারী নেটওয়ার্কের ১৯তম ব্যাচে
অংশগ্রহণের সুযোগ পাই৷ ২৯-৩১ ডিসেম্বর, ২০০৭ সালে অনুষ্ঠিত
প্রশিক্ষণে অনেকটা ভয়ে ভয়েই অংশগ্রহণ করি৷ কিন্তু প্রশিক্ষণ
শেষে শুরুর সেই ভয়টি আর থাকে না৷ প্রশিক্ষণে বুঝতে সক্ষম হই
যে, কেউ কারো উন্নয়ন করে দিতে পারে না৷ নিজের উন্নয়নের জন্য
নিজকেই কাজ করতে হবে৷ হীনমন্যতা নয়, বরং মানুষ হিসাবে এগিয়ে
যেতে হবে৷ জানতে পারি- প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রতিটি
অংশগ্রহণকারীর মধ্যে দায়বদ্ধতা ও উপলব্ধিবোধ সৃষ্টি হয়৷ ফলে এক
ধরনের চেতনা যেমন- মানুষ পারে, সে সক্ষম, সৃজনশীল, মানুষ কাঁধে
কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে সক্ষম, যার সমস্যা সমাধানের প্রাথমিক
দায়িত্ব তার নিজের এ চেতনাবোধ জেগে ওঠে৷ প্রশিক্ষণে জেন্ডার ও
সেক্স সম্পর্কে ধারণাটি স্বচছ হয়৷ এছাড়া প্রশিক্ষণে নারীর
ক্ষমতায়ন পর্বটি মুগ্ধ করে৷’
প্রশিক্ষণে সমান অংশীদারিত্বের সুযোগই ইভানকে বদলে দেয় অনেকখানি৷
শুধু বদল নয়, সার্বিক পরিবর্তনের ছোঁয়া তাকে দিল একজন মানুষ
হিসেবে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠার সুযোগ৷ তার ভাষায়, ‘সিদ্ধান্ত নেওয়া,
ভালো-মন্দ বিচার করার ক্ষমতা অর্জন মূলত বিকশিত নারী
নেটওয়ার্কের প্রশিক্ষণ থেকেই পাওয়া৷ প্রশিক্ষণে মানবিক সত্তাটি
যেন খুঁজে পেয়েছি৷ মূলত মানুষের ভেতরের ধৈর্যশক্তি জাগিয়ে
তোলার চেষ্টা করা হয়েছে সেই প্রশিক্ষণে৷ সেখানে কোনো বিষয়ে
বৈষম্য কিংবা কারো কোনো নেতিবাচক অথবা ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি ছিল
না৷ ফলে নিজেকে প্রকাশ এবং তুলে ধরার অবারিত দ্বার ছিল৷’
ইভান প্রশিক্ষণ থেকে ফিরে যান গাজীপুরের পাতাকুড়ে বোনের বাড়িতে৷
সেখানেই মূলত তিনি নিজেকে প্রকাশ করেন তার নানামুখী
কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে৷ এলাকায় ফিরে গিয়ে পরিবর্তিত ইভানের মনে
হয়েছে, ‘পূর্বে অনেকেই আমাকে দেখে কাপড় দিয়ে মুখ ঢেকে ফেলত;
পেছন ফিরে কথা বলত; উস্কানিমূলক নানা উক্তি করত৷ এমনি একটি
সামাজিক পটভূমিতে ইভান তার যথাযথ ভূমিকা পালনের সুযোগ পেয়েছেন৷
তিনি বলেন, ‘আসলে একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে নাম এবং পরিচয়ের
পরিপূর্ণ স্বীকৃতিটি পেয়েছি প্রশিক্ষণ থেকেই৷’
ইভানের জীবনে এরপরের কথাগুলো শুধুই এগিয়ে চলার পদক্ষেপ৷ জীবন
সংগ্রামের শুরুতে কিছু একটা করার তাগিদে তিনি প্রাথমিকভাবে গড়ে
তুলেছিলেন ‘সচেতন’ নামে একটি সংগঠন৷ ধীরে ধীরে সেটিরই বিস্তার
ঘটানোর চেষ্টা করেন৷
সচেতন শিল্পী সংঘ
১৯৯৯ সালে ‘সচেতন শিল্পী সংঘ’ নামে গড়ে তোলা সংগঠনের
কার্যক্রমের পরিধি বাড়তে থাকে৷ ২০০৭ সালে পরিধির সঙ্গে বাড়তে
থাকে এর সদস্য সংখ্যা৷ ‘আমার সংস্কৃতি আমার অধিকার’- এই
স্লোগানে সংগঠনের ৪৫০ জনের সবাই ‘তৃতীয় প্রকৃতির মানুষ’ (হিজড়া)৷
মূলত ‘তৃতীয় প্রকৃতির মানুষ’কে নিয়ে কাজ করার জন্যই ‘সচেতন
শিল্পী সংঘে’র যাত্রা শুরু হয়েছে৷ বর্তমানে এর কার্যক্রম
পরিচালিত হচেছ ১৪১৭/১-এ, ব্লক-১ খিলগাঁও, তালতলাতে৷ এছাড়া
সমগ্র বাংলাদেশেই রয়েছে উক্ত সংগঠনের নানামুখী কার্যক্রম৷
সংগঠনের মূল লক্ষ্য হলো, যে কোনো জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে
সকল ধরনের তৃতীয় প্রকৃতির ব্যক্তি এর সদস্য হতে পারবেন; সমগ্র
বাংলাদেশের হিজড়াদের সকল ধরনের সমস্যা চিহ্নিত করা এবং তা
সমাধানের লক্ষ্যে কাজ করা৷
সাংস্কৃতিক অঙ্গনেই নয়, স্বনির্ভরতা অর্জনের লক্ষ্যে উক্ত
সংগঠনটি ‘ঢঙ্’ নামে একটি বুটিক শপ গড়ে তোলে৷ খিলগাঁও তালতলা
মার্কেটে হস্তশিল্পের এই দোকানটি অতি অল্প সময়েই ব্যাপক আলোড়ন
সৃষ্টি করে৷ তাই মাত্র দুই বছর সময়ের মধ্যে অনেকেই এখান থেকে
স্বাবলম্বীর হওয়ার পথও তৈরি করে নিয়েছেন৷ এ পর্যন্ত সংগঠনের
আর্থিক ব্যয়ে দশ জনকে আত্মনির্ভরশীল করার ব্যবস্থা করা হয়েছে৷
ময়না, রবি, কাজল, সবুজ, মাসুম, বিপ্লব, খুশী, ঝিনুক, কামরুলসহ
অনেকেই তাদের নিজস্ব স্বকীয়তা চেতনা থেকেই কাজ করছেন৷ প্রতি
প্রশিক্ষণার্থীকে প্রশিক্ষণকালীন কাজের দক্ষতা মূল্যায়নের
প্রেক্ষিতে ন্যূনতম খরচ দেওয়া হয়ে থাকে৷ ব্লক-বাটিক, কারচুপি,
এমব্রয়ডারি প্রভৃতি নানা বিষয়ে প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে কোনো
সুনির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া নেই৷ তবে স্বনির্ভর করে তোলার
ক্ষেত্রে তাদের সময়োপযোগী কাজ করার উপযোগী করে গড়ে তোলা হয়৷
প্রতিভা অনুযায়ী তাদের অন্যত্র কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়৷
এটি হচেছ ‘সচেতন’-এর একটি অন্যতম উদ্দেশ্য৷
এ ধরনের সংগঠন শুরুর প্রেক্ষাপট প্রসঙ্গে ‘ঢঙ্’- এর পরিচালক
তুহীন উদ্দীন খান নদী জানালেন, ‘আমরা অবহেলিত, উপেক্ষিত মানুষ৷
কোথাও আমাদের স্বীকৃতি নেই৷ তাই নিজেরাই গড়ে উঠতে সক্রিয় হয়েছি৷
অন্যদেরও সঙ্গে সম্পৃক্ত করার চেষ্টা করে চলেছি৷’ ‘সচেতন’- এর
আরেকটি কার্যক্রম ঢাকার গেন্ডারিয়ায় অবস্থিত ‘বনফুল’ নামে বিউটি
পার্লারের পরিচালক মিল্লাত আলি (ঝিনুক) জানালেন, ‘থার্ড
জেন্ডারকে সচেতন করে তোলার লক্ষ্যেই সচেতন সংঘের নানামুখি
কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে৷ ‘সচেতন’- এর প্রথম কাজই হলো
মানুষের অধিকার নিয়ে কাজ করা, মানবাধিকার যেন লঙঘন না হয়
সেজন্য সোচচার ভূমিকা রাখা৷ এছাড়া তৃতীয় প্রকৃতির মানুষের কথা
প্রতিষ্ঠিত করার জন্য পথ নাটক, জারি, পালা গান, যাত্রার মাধ্যমে
বিষয়গুলো অধিকারের বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়৷’
উল্লেখ্য, এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ইভানের স্বরচিত বেশ কিছু
নাটক ইতোমধ্যেই প্রশংসিত হয়েছে৷ তার রচিত মানবাধিকার বিষয়ক
নাটক ‘না’ নারী দিবসে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে৷ এছাড়া হিজড়াদের
জীবন নিয়ে ‘অবহেলা’, ‘স্বীকৃতি’, ‘বন্দি’সহ এ পর্যন্ত কুড়িটি
নাটক রচনা এবং মঞ্চে পরিচালনা করেছেন তিনি৷ যুগোপযোগী এবং
অধিকারভিত্তিক এ সকল নাটক নানান সময়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে৷
ইভান সমাজের নানা বৈষম্য, অত্যাচার, নির্যাতন ও তার প্রতিবাদ
বিষয়ে নাটক রচনা এবং তা মঞ্চায়নের দিক নির্দেশনা দিয়ে থাকেন৷
সম-মর্যাদার মানুষ হিসেবে চাই স্বীকৃতি
সকল সংগঠনে সম-মর্যাদার মানুষ হিসাবে বিবেচনা করা হয় না৷ তাই
‘নারী’ ও ‘পুরুষ’ এই শ্রেণির পাশাপাশি যেন তৃতীয় প্রকৃতির
মানুষকেও সমান মর্যাদা দেওয়া হয়৷ ব্যক্তি-মানুষ হিসাবে যেন
তাদের দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়া হয়৷ ইভান আহাম্মেদ বলেন,
‘নির্বাচনে অংশগ্রহণ, নেতৃত্ব দান ইত্যাদি অধিকারগুলো যেন আর
সবার মতই অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বিবেচনা করা হয়৷ রাষ্ট্রীয়
স্বীকৃতিতে ভোটারাধিকারের সুযোগ থাকবে৷ এখানে একটি কথা মনে
রাখতে হবে, সমাজ সব সময় শক্তিমানদের দ্বারা প্রভাবিত হয়৷ তাই
সকল সামাজিক বৈষম্য দূরে ঠেলে মানুষ হিসেবে অধিকার প্রতিষ্ঠার
লড়াইয়ে আমরা সোচচার ও প্রতিবাদী হতে চাই৷ পেতে চাই সমান সুযোগ,
হয়ে উঠতে চাই প্রকৃত অর্থেই একজন পরিপূর্ণ মানুষ৷’
হতে চাই বিশ্বশান্তির দূত
ইভান আহাম্মেদ মহীয়সী মাদার তেরেসার আদর্শে অনুপ্রাণিত৷ যিনি
সমাজের অবহেলিত, বঞ্চিত মানুষের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন৷
‘মিশনারিজ অব চ্যারিটি’ (গরংংরড়হধৎরবং ড়ভ ঈযধৎরুঃ) নামে একটি
সেবামূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলেন৷ ইভানও তেমনি একটি
প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার স্বপ্ন মনে মনে লালন করেন৷ শুধু লালন নয়,
স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য তিনি শুরুও করেছেন একটি ক্ষুদ্র সংগঠন৷
ডেমরার মানিকদিতে ‘কথাকলি শিশু কিশোর সংগঠন’ নামে সংগঠনের
মাধ্যমে তার স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছেন৷ এটি
বর্তমানে স্কুল হিসেবে পরিচালিত হচেছ৷ এছাড়া তেরেসার সেই
‘নির্মল হৃদয়ঘর’ শীর্ষক একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার
বাসনাও তিনি লালন করেন৷ যেখানে জাতি, লিঙ্গ কিংবা ধর্ম বা
বর্ণের কোন ভেদ থাকবে না৷
ইভান দক্ষিণ আফ্রিকা, নেপাল, ভুটান, মায়ানমার, এবং ভারতসহ
পৃথিবীর বহু দেশ ভ্রমণ করেছেন৷ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি
পেয়েছেন পুরস্কার, সম্মাননা এবং সনদপত্র৷ তিনি প্রমাণ করেছেন,
কাজই মানুষের প্রধান পরিচয়, লিঙ্গ পরিচয় নয়৷ ইভান চান, পৃথিবী
থেকে যুদ্ধ যেন চিরকালের জন্য নির্বাসিত হয় এবং বিশ্বে স্থায়ী
শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়৷
আমাদের প্রচলিত সমাজ বাস্তবতায় নানা প্রতিকূতার মধ্যেও ইভান
নিজেকে তুলে ধরেছেন এবং আলোকিত করেছেন নিজস্ব জগতকে৷ তাই
‘নারীর কথা’য় সেই ব্যতিক্রমী মানুষের জীবনালেখ্যটি তুলে ধরা হলো৷
|