অর্জন ও সফলতা

নারী-পুরুষ বৈষম্যের সংস্কৃতি আমাদের সমাজে সুদীর্ঘকাল ধরে চলে আসছে। কন্যাশিশুর প্রতি বঞ্চনা, এই বৈষম্যেরই একটি বহিঃপ্রকাশ। এই বৈষম্য ও বঞ্চনার শিকড় সমাজের অত্যন- গভীরে প্রোথিত। কন্যাশিশুদের শারীরিক-মানসিক বিকাশ ও সুরক্ষা, সুস’ ও সুন্দরভাবে বেঁচে থাকা এবং তাদের সমঅংশগ্রহণের অধিকার প্রতিষ্ঠার ওপরই আমাদের জাতীয় অগ্রগতি বহুলাংশে নির্ভর করছে। তাই তাদের প্রতি বিনিয়োগই অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ। এই বিশ্বাসবোধ থেকে ২০০২ সালে ‘জাতীয় কন্যাশিশু এডভোকেসি ফোরাম’ এর জন্ম।
কন্যাশিশুদের প্রতি বৈষম্য এবং সমাজের প্রচলিত ধারণার মূলোৎপাটন এবং কন্যাশিশুর বিকাশে সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করার কাজটি একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া। খুব অল্প সময়ে তাই দৃশ্যমান ফলাফল তৈরি করাটা অত্যন- দুরূহ একটি কাজ। প্রাথমিক পর্যায়ে সমাজে সকল স-রের জনগণের মাঝে এ বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আর কন্যাশিশু এডভোকেসি ফোরাম ধারাবাহিকভাবে মূলত এ কাজটিই করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ সকল কাজের ইতিবাচক প্রভাব ইতোমধ্যেই আমাদের সামাজিক জীবনে কিছুটা হলেও পড়তে শুরু করেছে। যেসকল কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে ফোরাম তৃণমূল ও জাতীয় পর্যায়ে এই সফলতা অর্জন করেছে তা হলো:

এডভোকেসি:

কন্যাশিশু ও নারীর অনুকূল আইন, নীতি ও বিধিবিধান প্রণয়ন, সংস্কার ও বাস-বায়নে ধারাবাহিক ও পদ্ধতিগত এডভোকেসি কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এই কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বিভিন্ন ইস্যুভিত্তিক রাউন্ড টেবিল, সভা, সেমিনার, মানববন্ধন ও কর্মশালা পরিচালনা করা হয়।
# গোলটেবিল বৈঠক –  কন্যাশিশু ইস্যুতে ২০০৪ সাল থেকে ফোরাম এর উদ্যোগে কেন্দ্রিয়, জেলা, উপজেলা ও তৃণমূল পর্যায়ে মোট ৪৩টি গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। প্রত্যেকটি গোলটেবিল বৈঠকে অংশগ্রহণকারী গড়ে প্রায় ১২০ থেকে ১৫০জন ছিল। আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে মন্ত্রী, এমপি, উচ্চপদস’ সরকারী কর্মকর্তাবৃন্দ, সুশীল সমাজ এবং সমাজে প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিবর্গ উপসি’ত থেকে তাদের মূল্যবান মতামত তুলে ধরেন।
# সভা, সেমিনার ও প্রেস কনফারেন্স –  কন্যাশিশুদের জীবনমান উন্নয়ন ও পরিবর্তনে কন্যাশিশু এডভোকেসি ফোরাম ২০০৪ সাল থেকে বিভিন্ন ইস্যুভিত্তিক সভা, সেমিনার ও প্রেস কনফারেন্সের আয়োজন করে চলেছে। ২০১২ সাল পর্যন- ৬৩টি সভা, সেমিনার এর আয়োজন করা হয়েছে। এর ফলে প্রায় ৩০০০০ অংশগ্রহণকারী কন্যাশিশুদের অধিকার বিষয়ে সচেতন হয়েছেন।
# মানববন্ধন  – ফোরাম অগ্রযাত্রা থেকে শুরু করে অদ্যাবধি নারী তথা কন্যাশিশু ইস্যুতে সবসময়ই সোচ্চার ভূমিকা রেখে চলেছে। মানববন্ধন হলো প্রতিবাদ ও শাসি- দাবীর জন্য অন্যতম একটি পদক্ষেপ। ২০০৩ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন- ফোরামের পক্ষ থেকে কেন্দ্রিয়ভাবে প্রায় ১৯০টি এবং দেশব্যাপী প্রায় ৫৮০টি মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এসকল মানববন্ধন আয়োজনের ফলে প্রায় ৩২০ জন দোষী ব্যক্তি বিচারের সম্মুখীন হয়েছে এবং অনেকে শাসি- ভোগ করছে।
কর্মশালা:

জাতীয় কন্যাশিশু এডভোকেসি ফোরাম কেন্দ্রিয় থেকে তৃণমূল পর্যায়ে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কন্যাশিশুর প্রতি অধিক যত্নশীল হওয়া এবং তাদের প্রতি বঞ্চনা ও বৈষম্য নিরসনের লক্ষ্যে দেশব্যাপী “কন্যাশিশুর অধিকার ও আমাদের করণীয়’ শীর্ষক কর্মশালা পরিচালনা করে চলেছে। ২০০১ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন- ফোরাম ২৭৫টি কর্মশালা পরিচালনা করে। এ সকল কর্মশালায় কিশোর-কিশোরী, রাজনীতিবিদ, শিক্ষক, আইনজীবী, সাংবাদিক, ডাক্তার-সহ সমাজের প্রায় সকল স-রের প্রতিনিধিগণ উপসি’ত ছিলেন। কর্মশালায় অংশ নিয়ে কিশোরীরা নিজেদের অধিকার সম্পর্কে এবং অভিভাবকগণ তাদের কন্যাশিশুদের অধিকার, স্বাস’্য, শিক্ষা,   বিয়ে সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ে পূর্বের থেকে অনেক বেশি সচেতন হয়েছেন। বর্তমানে সমাজের বিভিন্ন স-রের মানুষের মধ্যে ‘কন্যাশিশু সম্পদ, বোঝা নয়’  – এ ধরণের ইতিবাচক মনোভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে।
প্রশিক্ষণ প্রদান : কন্যাশিশুদের জীবনভিত্তিক দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়, যাতে তারা নিজেদের সমস্যা মোকাবেলায় দক্ষ ও আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠে। ২০১২ সাল পর্যন- কেন্দ্রিয় থেকে তৃণমূল পর্যায়ে ফোরাম এর নিজস্ব উদ্যোগে প্রায় ৮০০ কিশোরী এবং সদস্য সংগঠণ ও নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রায় ২৫০০ কিশোরীকে প্রশিক্ষণ প্রদান করে আত্মবিশ্বাসী ও দক্ষ করে গড়ে তোলা হয়েছে।
গণসচেতনতা সৃষ্টি:

জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে  দিবস পালন, পোষ্টার, লিফলেট ছাপানো, বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। যেমন — রচনা প্রতিযোগিতা, চিত্রাঙ্কণ প্রতিযোগিতা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, উপসি’ত বক্তৃতা প্রতিযোগিতা প্রভৃতি। এছাড়া তৃণমূলে উঠান বৈঠক, র‌্যালি, পথনাটক, গান, অভিভাবক সমাবেশ পরিচালনা করা হয়।
# দিবস পালন –  নারী এবং কন্যাশিশুদের প্রতি অবহেলা, বৈষম্য দূর করা এবং অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য জাতীয় কন্যাশিশু এডভোকেসি ফোরাম আন-র্জাতিক নারীদিবস, জাতীয় কন্যাশিশু দিবস এবং বেগম রোকেয়া ও বিশ্ব মানবাধিকার দিবসকে ঘিরে বিভিন্ন কর্মসূচি খুবই অনাড়ম্বরপূর্ণভাবে পালন করে থাকে। ২০০২ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন- আন-র্জাতিক নারী দিবস ৩৮০৫টি স’ানে এবং ২০০০ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন- জাতীয় কন্যাশিশু দিবস ৬১০১ টি স’ানে উদযাপন করা হয়। এসকল কর্মসূচিতে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীগণ, সচিববৃন্দ সহ সরকারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং আন-র্জাতিক ও জাতীয় সংস’ার উর্ধ্বতন ব্যক্তিবর্গ উপসি’ত থেকে তাদের মতামত তুলে ধরেছেন। এসকল কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে প্রায় ২৫ লক্ষ অভিভাবক এবং কিশোর – কিশোরী কন্যাশিশুদের অধিকার, তাদের স্বাস’্য এবং কন্যাশিশুদের প্রতি সমাজের প্রচলিত দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন সম্পর্কে বেশ সচেতন হয়েছেন।
# রচনা, চিত্রাঙ্কণ এবং বিতর্ক প্রতিযোগিতা  –  কন্যাশিশুদের প্রতি বৈষম্য বিলোপ এবং অধিকার রক্ষায় শিশুবয়স থেকেই সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে দেশব্যাপী বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। কেন্দ্রিয়ভাবে আযোজন বাদেও অঞ্চলভিত্তিক নেটওয়ার্কসমূহও তাদের অঞ্চলে এসকল প্রতিযোগিতার আয়োজন করে থাকে। ২০০২ সাল থেকে ২০১২ পর্যন- রচনা প্রতিযোগিতা ১৮৭৬টি স’ানে, চিত্রাঙ্কণ প্রতিযোগিতা ১৪৮৫টি স’ানে এবং ৮৯৫টি স’ানে বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। কন্যাশিশু বিষয়ভিত্তিক এসকল প্রতিযোগিতায় প্রায় ৪২০০০ কিশোর কিশোরী অংশগ্রহণ করেছে এবং ছেলেদের পাশাপাশি কন্যাদের অধিকারও যে কোন অংশে কম নয় –  এবিষয় সম্পর্কে অবহিত ও সচেতন হয়েছে। প্রতিবছর সচেতনতামুলক এসকল প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের শিশুতোষ বই, ক্রেস্ট এবং সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। এছাড়াও তৃণমূলে উঠান বৈঠক, র‌্যালি, পথনাটক, গান, অভিভাবক সমাবেশ পরিচালনা করা হয়।
আইনী সহায়তা:

এসিড সন্ত্রাসসহ বিভিন্নমূখী নির্যাতনের শিকার কন্যাশিশুদেরকে ফোরামের সদস্য সংগঠণসমূহের সহযোগিতায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা, আইনী পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করা হয়। ২০১২ সাল পর্যন- সরাসরি ফোরাম সচিবালয় কর্তৃক সদস্য সংগঠণের সহায়তায় প্রায় ১৭০ জন কিশোরী এবং সদস্য সংগঠণ নিজস্ব কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে অগণিত নির্যাতিত কিশোরীরকে আইনী সহায়তা প্রদান করে চলেছে।
প্রকাশনা:
আন-র্জাতিক নারীদিবস, জাতীয় কন্যাশিশু দিবসকে কেন্দ্র করে ফোরাম বিভিন্ন ধরণের প্রকাশনা বের করে থাকে এবং দিবস পালনের প্রতিবেদন সম্বলিত বুকলেট প্রকাশ করে থাকে; যেমন:-

জার্নাল: প্রতিবছর কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে দেশের বিশিষ্ট খ্যাতনামা লেখক/লেখিকার প্রবন্ধ নিয়ে ‘কন্যাশিশু’ জার্নাল প্রকাশ করা হয়ে থাকে। কন্যাশিশু দিবস -২০১২ সাল পর্যন- মোট ৮টি জার্নাল এবং নারী দিবস উপলক্ষে সংগ্রাম করে সফল হওয়া নারীদের জীবনী সম্বলিত ‘নারীর কথা’ প্রকাশনা ২০১৩ সাল পর্যন- ৮টি প্রকাশ করা হয়েছে।

কন্যাশিশুবার্তা (কেন্দ্রিয়, মাঠ পর্যায় এবং সদস্য সংগঠণ এর প্রতিবেদন)
প্রতিবছর দিবস পালন পরবর্তী কেন্দ্রিয়, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায় থেকে নারীদিবস এবং কন্যাশিশু দিবস পালন উপলক্ষে গৃহীত কর্মসূচিসমূহ উদযাপনের প্রতিবেদন সম্বলিত বুকলেট ছবিসহ প্রকাশ করা হচ্ছে। যা সত্যিই ফোরামের সচেতনতামূলক কার্যক্রম এক নজরে দেখার অন্যতম এক উপায়।

একনজরে জাতীয় ও আন-র্জাতিক পর্যায়ে ফোরামের দৃশ্যমান ও উল্লেখযোগ্য অর্জনসমূহ :

  • কন্যাশিশুর অধিকার রক্ষা ও তাদের বিকাশের বিষয়টিকে বৃহত্তর সামাজিক আন্দোলনে রূপ দেয়ার লক্ষ্যে ‘দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-বাংলাদেশ এর উদ্যোগে ৫৪টি বেসরকারি সংস’া, কিছূ সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ জুন ৪, ২০০০ তারিখে বাংলাদেশ সরকারের মহিলা ও শিশুবিষয়ক মস্ত্রণালয়ে শিশু অধিকার সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনটিকে কন্যাশিশু দিবস হিসেবে ঘোষণা প্রদানের জন্য লিখিত প্রস-াব করা হয়। পরবর্তীতে তৎকালীন সরকার ৩০ শে সেপ্টেম্বরকে ‘জাতীয় কন্যাশিশু দিবস’ হিসেবে পালনের ঘোষণা দেয়। এই ঘোষণার ফলে ২০০০ সাল থেকে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে দিবসটি অত্যন- গুরুত্বের সঙ্গে সারাদেশে উদযাপিত হয়ে আসছে;
  •   সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে ফোরাম বড় ধরণের ভূমিকা রাখতে সক্ষম হয়েছে। যেমন:- নারী উন্নয়ন নীতি-২০১১ এবং জাতীয় শিশুনীতি-২০১১ তৈরীতে গঠিত কমিটিতে ফোরামকে সদস্য হিসেবে রাখা এবং ফোরামের সুপারিশসমূহ অন-র্ভূক্ত করা। এবং পূর্বের নীতিসমূহে উল্লেখিত মেয়েশিশুর স’লে সকল স’ানে কন্যাশিশু নামে অন-র্ভূক্ত করা;
  • ইউনিসেফ কর্তৃক শিশু অধিকার সম্পর্কিত পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়নে ফোরামের সুপারিশসমূহ অন-র্ভুক্ত করা;
  •    কন্যাশিশুদের নিয়ে সরকারি পর্যায়ের কার্যক্রমে কন্যাশিশু এডভোকেসি ফোরামকে সর্বক্ষেত্রে সম্পৃক্ত করা হয়;
  • ২০১১ সালে প্ল্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল এর সাথে কাজ করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে;
  • ২০১১ সালের সবচেয়ে বড় অর্জন জাতিসংঘ কর্তৃক ‘আস-র্জাতিক কন্যাশিশু দিবস’ ঘোষণা করা। এটা মূলত: ফোরামেরই অর্জন। কারণ কন্যাশিশদের জন্য আলাদাভাবে একটা দিন থাকবে-এটা স্বীকৃতির জন্য জাতীয় কন্যাশিশু এডভোকেসি ফোরামই বিশ্বের মধ্যে সর্বপ্রথম পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে;
  • মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি ২০১১ বাস-বায়নকল্পে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ২০১২‘র সমঅধিকার ও বৈষম্যহীন ২০২১ সালের বাংলাদেশ : নারী উন্নয়নের মডেল তৈরির জন্য গঠিত ওয়ার্কিং কমিটির একজন সদস্য হিসেবে ফোরাম সম্পাদককে অন-র্ভূক্ত করা হয়। মডেল তৈরির জন্য সুপারিশসমূহ সচিবালয় থেকে ইতিমধ্যে মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে ;
  • ২০১২ সালের সবচেয়ে বড় অর্জন বিশ্বব্যাপী আন-র্জাতিকভাবে কন্যাশিশু দিবস উদযাপন । এটা মূলত: ফোরামেরই অর্জন। কারণ কন্যাশিশুদের জন্য আলাদাভাবে একটা দিন থাকবে-এটা স্বীকৃতির জন্য জাতীয় কন্যাশিশু এডভোকেসি ফোরাম বিশ্বের মধ্যে সর্বপ্রথম পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে ;

এছাড়াও প্রতিবছর ফোরাম ইউনিসেফ, ইউনেস্কো, প্ল্ল্যান ইন্ট্যারন্যাশনাল, সেভ দ্য চিলড্রেনস, সামাজিক প্রতিরোধ কমিটি, বাংলাদেশ শিশু একাডেমী এবং সরকারের মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাথে আরও নিবিড়িভাবে কাজ করার সুযোগ পেয়ে চলেছে। আয়োজিত কর্মসূচসমূহে এসকল প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা বরাবরই উ্লেল্লখ করার মতো। যা, সত্যিই ফোরামের চলার পথকে আরও বিস-ৃত করে চলেছে।

Advertisements