গঠনতন্ত্র

ভূমিকা
একটি দেশ ও জাতির উন্নয়নে নারী পুরুষের সম-অংশগ্রহণ অপরিহার্যর্। বিশ্বের অনেক দেশের মতো বাংলাদেশেও নারীরা চরমভাবে নির্যাতন, নিপীড়ন ও অবদমনের শিকার, যা শুরু হয় শৈশবকাল থেকেই। কন্যাশিশুর বিকাশের পথে অসংখ্য প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে আমাদের সমাজ। এভাবেই দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠীকে পঙ্গুত্বের দিকে ঠেলে দেবার প্রক্রিয়া শুরু হয়। ‘দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-বাংলাদেশ’ কন্যাশিশুর অধিকার রক্ষা ও বিকাশের ইস্যুটিকে বৃহত্তর সামাজিক আন্দোলনে রূপ দেয়ার লক্ষ্যে গত ২০০০ সালের ৪ জুন, ‘কন্যাশিশু দিবস’ পালনের প্রস্-াব করে। বেশ কিছু বেসরকারী সংস্থা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি, যারা কন্যাশিশুর অধিকার রক্ষায় কাজ করছিলেন, তারাও এ প্রস্-াবকে সমর্থন করেন এবং নিজেরাও সম্পৃক্ত হন। এর প্রেক্ষিতেই ২০০০ সালের ৩ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সরকারের ‘মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ ৩০ সেপ্টেম্বরকে ‘কন্যাশিশু দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্- গ্রহণ করে। ২০০০ সাল থেকে দেশব্যপী গুরুত্বের সাথে এ দিবসটি পালিত হচ্ছে। এতে কন্যাশিশুর অধিকার রক্ষায় সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে, যাকে স্থায়ী রূপ দেয়া প্রয়োজন। কন্যাশিশুর সার্বিক বিকাশের প্রয়োজনীয় পরিবেশ নিশ্চিত করতে, কন্যাশিশু দিবস উদ্‌যাপনের পাশাপাশি দরকার বৃহত্তর পরিসরে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা। এ প্রয়োজনীয়তার প্রেক্ষিতেই ‘জাতীয় কন্যাশিশু এডভোকোসি ফোরাম’ গড়ে তোলার সিদ্ধান্- গৃহীত হয়।

ফোরাম এর বর্তমান অস্থায়ী কার্যালয় দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-বাংলাদেশ, ৩/৭, আসাদ এভিনিউ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা- ১২০৭। ফোন # ৮১১২৬২২, ৮১১৬৮১২ এবং ৮১২৭৯৭৫। ফ্যাক্স # ৮১১৬৮১২, ইমেল # ঃযঢ়ন@ নধহমষধ.হবঃ

ধারা – ২
২.১. ফোরামের লক্ষ্য: কন্যাশিশু ও নারীদের অবস্থা এবং অবস্থানের ইতিবাচক পরিবর্তন আনয়ন, সমাজে তাদের অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলির কাজের সমন্বয়, অভিজ্ঞতা বিনিময় ও বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা।
২.২. উদ্দেশ্য:
কন্যাশিশু ও নারীর অধিকার এবং সার্বিক জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে
স্থানীয় ও জাতীয় নীতিমালা তৈরিতে ভূমিকা রাখা।
জনমত গঠন ও কন্যাশিশু সম্পর্কিত প্রচলিত দৃষ্টিভঙ্গির পরিবতর্নের লক্ষ্যে গণজাগরণ সৃষ্টি করা।
রাষ্ট্রীয়ভাবে কন্যাশিশুর অর্থনৈতিক, সামাজিক সর্ব বিষয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এডভোকেসি করা।
কন্যাশিশু ও নারীদের অধিকারসহ সার্বিক বিষয়ে সুযোগ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সময়োপযোগী ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

ধারা – ৩
ফোরামের সদস্য ও যোগ্যতা:
ফোরামে ২ ধরনের সদস্য থাকবে
সাধারণ সদস্য
সহযোগী / ডোনার সদস্য
৩.১. সাধারণ সদস্য: যে সকল বেসরকারি উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান কন্যাশিশু ও নারীদের উন্নয়নে ফোরাম এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের সাথে সংগতিপূর্ণ কার্যক্রম পরিচালনা করে তারাই ফোরামের সাধারণ সদস্য হতে পারবে। এছাড়াও আগ্রহী ব্যক্তিবর্গ, যারা ফোরামের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যের সাথে একমত পোষণ করেন তারাও সদস্য হতে পারবেন। তবে, ফোরাম এর সাধারণ পরিষদের সদস্যদের মধ্য থেকে যে কোনো একজনের প্রত্যয়ন থাকতে হবে। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার ক্ষেত্রে সংস্থা-প্রধান বা সংস্থা কর্তৃক মনোনীত যে কোনো ব্যক্তি সদস্য হতে পারবেন।
৩.২. সহযোগী/ ডোনার সদস্য: যে সকল প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি ফোরামের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের সাথে একমত পোষণ করেন, কিন্তু সাংগঠনিক বা ব্যক্তিগত কিছু বিধিজনিত কারণে সরাসরি ফোরামের সদস্য হতে পারেন না বা হওয়ার সুযোগ থাকে না তবে কাজগুলিকে যথাযথভাবে সম্পাদনের জন্য বস্তুগত (নগদ অর্থ/ দ্রব্যসামগ্রি/ মানব সম্পদ) সহায়তা প্রদান করবেন, তারাই হবে সহযোগী বা ডোনার সদস্য। তবে আর্থিকভাবে এর মূল্য ন্যূনতম ১০,০০০.০০ টাকা হতে হবে।

ধারা – ৪
সদস্য পদ প্রাপ্তির নিয়মাবলী
৪.১. সদস্য পদ প্রাপ্তির জন্য ফোরাম এর নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। নির্বাহী পরিষদ কর্তৃক সরোজমিনে পরিদর্শন সাপেক্ষে সদস্যপদ অর্ন্-ভূক্তির বিষয়টি চূড়ান্ত করা হবে।
৪.২. সদস্য অন্তর্ভুক্তি ও বার্ষিক চাঁদা নিম্নরূপ:
ঢাকায় যে সকল সংগঠনের কেন্দ্রূীয় অফিস: ৫০০.০০ টাকা হারে;
জেলা/ থানা পর্যায়ের সংগঠনের ক্ষেত্রে: ৩০০.০০ টাকা;
ব্যক্তির ক্ষেত্রে: ৩০০.০০ টাকা
৪.৩. সদস্য প্রাপ্তির আবেদন ফর্ম: ১০ টাকা
৪.৪. নির্বাহী পরিষদ কোনো আবেদন পত্র বৈধ হিসেবে গ্রহণ না করলে তা আবেদনকৃত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে পরবর্তী ২ মাসের মধ্যে অবহিত করা হবে। একইভাবে আবেদন পত্রটি গৃহীত হলে পরবর্তী ২ মাসের মধ্যে নির্দিষ্ট হারে চাঁদা প্রদান করে সদস্যপদ গ্রহণের অনুরোধ জানানো হবে।

ধারা – ৫
সদস্য পদ বাতিলের কারণ:
৫.১. গঠনতন্ত্র বিরোধী কোনো কাজ করলে।
৫.২. ফোরামের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যের পরিপন্থী কোনো কাজ করলে।
৫.৩. সাধারণ পরিষদের কোন সদস্য বিনা নোটিশে পরপর ৩টি সাধারণ সভায় অনুপস্থিত থাকলে।
৫.৪. পর পর তিন বছর বার্ষিক চাঁদা প্রদান না করলে।
৫.৫. কোন সদস্য স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করলে ।
৫.৬. কোনো সদস্যের মৃত্যু ঘটলে। ৫.৭. আদালত কর্তক দেউলিয়া ঘোষিত হলে।

ধারা – ৬
সদস্যপদ পুনঃপ্রাপ্তি
৬.১. কোন সদস্যপদ ধারা – ৫ এর ৩, ৪, এবং ৫ এ বর্ণিত নিয়মাবলীর কারণে বাতিল হয় তবে উক্ত প্রতিষ্ঠান এ সম্পর্কে যথাযথ কারণ দর্শানো পূর্বক ফোরামের সভাপতি বরাবরে পুনঃসদস্য পদের জন্য আবেদন করতে পারবে। নির্বাহী পরিষদ তাদের মতামত-সহ বিষয়টি পরবর্তী সাধারণ সভায় উপস্থাপন করবেন। সকলের মতামতের প্রেক্ষিতে পুনঃসদস্যপদ প্রদানের বিষয়টি নিষপত্তি হবে।

ধারা -৭
বিকল্প প্রতিনিধি:
৭.১. সংস্থা প্রধান বা সংস্থা কর্তৃক মনোনীত প্রতিনিধি উপস্থিত না থাকলে সংশ্লিষ্ট সদস্য প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রেরিত অন্য কোন প্রতিনিধি সাধারণ সভায় উপস্থিত হতে পারবেন, তবে তিনি কোনো ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন না।

ধারা – ৮
ফোরামের সাংগঠনিক কাঠামো:
৮.১. ফোরাম এর দ্বি-স্-র বিশিষ্ট সাংগঠনিক কাঠামো থাকবে।
সাধারণ পরিষদ
নির্বাহী পরিষদ

ধারা – ৯
সাধারণ পরিষদের কার্যাবলী:
৯.১. সকল সাধারণ সদস্য নিয়ে সাধারণ পরিষদ গঠিত হইবে। সাধারণ পরিষদই সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী হইবে। ন্যূনতম ২৫ জনের প্রতিনিধিত্বে সাধারণ পরিষদ গঠন হবে। এর মধ্যে ন্যূনতম শতকরা ৫০ ভাগ নারী ও কিশোরী প্রতিনিধি থাকবেন। সাধারণ পরিষদ যে সকল দায়িত্ব পালন করবেন:
বিধি অনুযায়ী নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাহী/ উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা;
নির্বাহী পরিচালনা পরিষদ কর্তৃক পেশকৃত আর্থিক এবং কর্মসূচিগত প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদন করা;
বার্ষিক/তলবী/ বিশেষ সভাসহ প্রয়োজনীয় জরুরী সভায় উপস্থিত থাকা;
পূনঃসদস্যপদ প্রদানে সিদ্ধান্- প্রদান করা;
বাৎসরিক বাজেট অনুমোদন করা;
নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা;
গঠনতন্ত্র সংশোধন, পরিবর্ধন ও পরিমার্জন করা;
বিতর্কিত বিষয়সমূহের সিদ্ধান্- প্রদান করা;
বার্ষিক হিসাব নিরীক্ষণের জন্য সরকার অনুমোদিত অডিটর নিয়োগ;

ধারা – ১০
নির্বাহী পরিষদ গঠন:
১০.১. এগার (১১) সদস্য বিশিষ্ট নির্বাহী পরিষদ গঠিত হবে। সাধারণ সদস্যদের ভোটের মাধ্যমে নির্বাহী পরিষদ নির্বাচিত হবে। নির্বাহী পরিষদের পদগুলি হবে:
সভাপতি- ১ জন
সহ সভাপতি- ১ জন
সাধারণ সম্পাদক/সম্পাদিকা- ১ জন
যুগ্ম সম্পাদক/সম্পাদিকা- ১ জন
কোষাধ্যক্ষ – ১ জন
সাধারণ সদস্য- ৬ জন
১০.২. নির্বাহী পরিষদের মেয়াদ, নির্বাচনের তারিখ হতে পরবর্তী দুই বছরের জন্য নির্ধারিত থাকবে। প্রতি দুই বছর পর পর নূতন নির্বাহী পরিষদ গঠন করা হবে।
১০.৩. দুই বছর অন্-র সাধারণ পরিষদের সদস্যদের ভোট অথবা সমর্থনের মাধ্যমে নির্বাহী পরিষদ গঠন করা হবে।
১০.৪. প্রতি মাসে অন্-ত একবার নির্বাহী পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হবে।
১০.৫. নির্বাহী পরিষদ গঠনের মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার দুইমাস পূর্বে সাধারণ পরিষদের সদস্যদের মধ্য থেকে একটি নির্বাচনী কমিশন গঠন করা হবে। উক্ত নির্বাচন কমিশন নির্বাচন সংক্রান্- ব্যবস্থা ও সিদ্ধান্- গ্রহণ করবে। ন্যূনতম তিন সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে। তিনজনের মধ্য হতে একজনকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নির্বাচিত করা হবে।
১০.৬. সদস্য সংগঠনের সকল প্রকার নিবন্ধন ফি ও নবায়ন ফি পরিষোধিত থাকলেই কেবলমাত্র ভোট দপানের অধিকার সংরক্ষিত হবে।
১০.৭. প্রতিটি সদস্য সংগনের প্রধান অথবা মনোনিত ব্যক্তি ভোট প্রদানের অধিকার সংরক্ষণ করবে।

ধারা – ১১
নির্বাহী পরিষদের দায়িত্ব ও কর্তব্য:
১১.১. ফোরাম এর সাধারণ পরিষদ কর্তৃক প্রণীত নীতি ও বিধিমালা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন;
১১.২. ফোরামের কর্মসূচি বাস্-বায়নের লক্ষ্যে প্রকল্প পরিকল্পনা তৈরি, অনুমোদন/মূল্যায়ন এর জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ;
১১.৩. সংগঠনের কার্যকরী ব্যবস্থাপনা ও কর্মসূচি বাস্-বায়ন;
১১.৪. বিভিন্ন সূত্রে সংগৃহীত তহবিল যথাযথভাবে ব্যবহার নিশ্চিতকরণ;
১১.৫. প্রকল্প বাস্-বায়ন টিম বা কর্মসূচি পরিচালনা পরিষদ গঠন ;
১১.৬. হিসাব রক্ষণ, বাজেট প্রণয়ন ও নিয়ন্ত্রণ, বার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন ও অনুমোদনের ব্যবস্থা গ্রহণ;
১১.৭. অভ্যন্-রীণ এবং বার্ষিক হিসাব নিরীক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ;
১১.৮. সাংগঠনিক তহবিল সংগ্রহ ও উন্নয়ন;
১১.৯. সদস্যপদ প্রদান ও বাতিলকরণ;
১১.১০. সদস্য পদ পুনঃপ্রদান ও নতুন সদস্য নেয়ার বিষয়ে সমস্- প্রক্রিয়া সম্পাদন ও সাধারণ পরিষদে অনুমোদনের জন্য উত্থাপন ও সিদ্ধান্- গ্রহণ;
১১.১১. মাসিক/ দ্বিমাসিক/ ত্রৈমাসিক/ ষান্মাসিক/বার্ষিক/তলবী সভা/ বিশেষ/সাধারণ সভাসহ প্রয়োজনীয় জরুরী সভার আয়োজন করা;
১১.১২. কর্মশালা, সেমিনার, প্রশিক্ষণ, আঞ্চলিক, দেশীয় ও আন্-র্জাতিক উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান এর কার্যক্রম পরিদর্শন ও অভিজ্ঞতা বিনিময়;
১১.১৩ সাধারণ সভার সিদ্ধান্- বাস্-বায়ন;
১১.১৪. কর্মকর্তা, কর্মচারী নিয়োগ ও তাদের বেতন ভাতা নির্ধারণ;

ধারা -১২
নির্বাহী পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব ও কার্যাবলী:
১২.১. তিনি ফোরামের নির্বাহী প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন, ফোরামের সকল প্রকার সভায় সভাপতিত্ব করবেন ও সভার কার্যবিবরণীতে স্বাক্ষর করবেন। তিনি ফোরাম সংক্রান্- সকল কর্মকাণ্ডের জন্য সাধারণ পরিষদের কাছে দায়ী থাকবেন।
১২.২. ফোরাম এর কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন, অর্থ সংগ্রহ ও বাজেট প্রণয়নের ক্ষেত্রে সহায়তা করবেন।
১২.৩. অনুমোদিত বাজেটের মাসিক খরচের টাকা উত্তোলনের অনুমোদন দেবেন।
১২.৪. ফোরাম-এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্-বায়নে সাধারণ সভার সিদ্ধান্- কার্যকরী করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।
১২.৫. সরকারী প্রতিষ্ঠান বা অন্য কোন দেশী/বিদেশী প্রতিষ্ঠানের সাথে যৌথ উদ্যোগে কোন প্রকল্প গ্রহণ করলে, তিনি প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিষদের পক্ষ থেকে চুক্তি স্বাক্ষর করবেন।
১২.৬. নির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্- মোতাবেক, নির্বাহী পরিষদের ও সাধারণ পরিষদের সকল ধরনের সভা আহবান করবেন এবং সভায় সভাপতিত্ব করবেন। সভার শৃঙখলা রক্ষার ব্যবস্থা করবেন। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে নির্বাহী পরিষদের যে কোন ৩ জন সদস্যদের সাথে পরামর্শক্রমে জরুরী সভা আহবান করতে পারবেন।
১২.৭. নির্বাহী পরিষদ ও সাধারণ পরিষদের সকল কাজে সহযোগিতা করবেন ও কোন ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিলে তা সমাধান করবেন। প্রয়োজনে সিদ্ধান্-মূলক ভোট দিয়ে চূড়ান্- সিদ্ধান্- দিবেন।
১২.৮. বার্ষিক হিসাব নিস্পত্তির লক্ষ্যে সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্- মোতাবেক অডিটর নিয়োগ করবেন।
১২.৯. নির্বাহী পরিষদের অনুমোদন সাপেক্ষে নিয়মিত, অনিয়মিত বা চুক্তিভিত্তিক কর্মকর্তা ও কর্মী নিয়োগ করতে পারবেন এবং কর্মকর্তা/কর্মী বরখাস্-, অব্যাহতি দান কিংবা চাকুরিচ্যুত করতে পারবেন।

ধারা – ১৩
সহ-সভাপতির দায়িত্ব ও কার্যাবলী:
১৩.১. সভাপতিকে সহযোগিতা করবেন ও সভাপতির অনুপস্থিতিতে তিনিই সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

ধারা – ১৪

সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব ও কার্যাবলী :
১৪.১. সাধারণ সম্পাদক সংগঠনের যাবতীয় বিষয়ে নির্বাহী প্রধান কর্তৃক দায়িত্ব প্রাপ্ত হবেন।
১৪.২. তিনি সভাপতির অনুমোদন পূর্বক ফোরামের সকল সভা আহবান করবেন।
১৪.৩. ফোরামের সকল সভার কার্যবিবরণী লিপিবদ্ধ করবেন এবং নথিতে সংরক্ষণ করবেন, সভার সিদ্ধান্- বাস্-বায়নে সার্বিক দায়িত্ব পালন করবেন।
১৪.৪. বার্ষিক প্রতিবেদন প্রস্তুত এবং সভাপতির অনুমতিক্রমে বার্ষিক সাধারণ সভায় অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করবেন।
১৪.৫. ফোরামের সকল সদস্য প্রতিষ্ঠানের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা ও সমন্বয় করবেন।
১৪.৬. আইনগত বিষয়ে ফোরামের নির্বাহী পরিষদের অনুমোদন সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

ধারা – ১৫
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব ও কার্যাবলী:
১৫.১. সাধারণ সম্পাদককে সহযোগিতা করবেন ও সাধারণ সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে তিনিই সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করবেন।

ধারা – ১৬
কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব:
১৬.১. তিনি সংগঠনের যাবতীয় আয় ব্যয়ের হিসাব নিয়ন্ত্রণ করবেন;
১৬.২. নির্বাহী পরিষদের সাথে এ ব্যাপারে সমন্বয সাধন করবেন এবং নির্বাহী পরিষদ অথবা দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিষদ/ ব্যক্তির সহযোগিতায় আয়ের উৎস অনুসন্ধান করবেন;
১৬.৩. নির্বাহী পরিষদের পরামর্শক্রমে অডিটের ব্যবস্থা করবেন;
১৬.৪. নির্বাহী পরিষদ ও সাধারণ পরিষদ সভায় হিসাব প্রদান ও বার্ষিক সাধারণ সভায় আর্থিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করবেন;
১৬.৫. তিনি সভাপতি ও কর্মসূচি পরিচালনা পরিষদের পরামর্শক্রমে মাসিক/দ্বিমাসিক/ত্রৈমাসিক খরচের টাকা উত্তোলনের প্রাথমিক অনুমোদন দিবেন;
১৬.৬. কর্মসূচি পরিচালার জন্য সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সাথে পরামর্শক্রমে দৈনন্দিন খরচের জন্য সবের্বাচ্চ ১০,০০০.০০ টাকা উত্তোলন ও খরচ করতে পারবেন, যা পরবর্তী নির্বাহী পরিষদ সভায় অনুমোদন নিবেন;
১৬.৭. নির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্-ক্রমে এটি পরিবর্তন হতে পারে।

ধারা – ১৭
নির্বাহী সদস্যের দায়িত্ব:
১৭.১. ফোরাম এর নির্বাহী সদস্যগণ যৌথভাবে ফোরামের পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্-বায়নে সার্বিক সহযোগিতা করবেন এবং সাধারণ পরিষদ কর্তৃক তাদের উপর অর্পিত সকল দায়িত্ব পালন করবেন।

ধারা – ১৮
নির্বাচন কমিশন গঠন ও নির্বাচনের বিধি

১৮.১. সাধারণ সভার সিদ্ধান্- অনুযায়ী ন্যূন্যতম তিন সদস্যবিশিষ্ট নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে। নির্বাচন কমিশন নির্বাচনী তফশিল ঘোষণা করবেন।
১৮.২. নির্বাহী পরিষদের ১১ জন সদস্য, সাধারণ পরিষদের ভোটারদের সরাসরি ভোটে/ ব্যালটের মাধ্যমে অথবা সকলের সম্মতিক্রমে হাত তুলে নির্বাচিত হবেন। নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করবেন।

ধারা – ১৯
শূন্যপদ পূরণ:
১৯.১. নির্বাহী পরিষদের কোন পদ শূন্য হলে, শূন্য পদে নির্বাহী পরিষদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সিদ্ধান্- অনুযায়ি নতুন সদস্য কো-অপ্ট করা যাবে।
১৯.২. সহ-সভাপতি এবং কোষাধ্যক্ষের পদ শূন্য হলে, নির্বাহী পরিষদ এর সদস্যদের মধ্য হতে উক্ত কমিটির মেয়াদ পূর্ণ হওয়া পর্যন্- যে কোনো সদস্যকে মনোনীত করা যাবে।

ধারা – ২০
ফোরামের সভার শ্রেণী বিভাগ:
২০.১. সাধারণ সভা
নির্বাহী পরিষদ সভা
জরুরী সভা
বিশেষ সভা
তলবী সভা

ধারা – ২১
সাধারণ সভা:
২১.১. বছরে কমপক্ষে ১টি সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে। এই সভা অনুষ্ঠানের কমপক্ষে ১৫ দিন পূর্বে নোটিশ করতে হবে। সাধারণ সভার সংখ্যা প্রয়োজন মোতাবেক বৃদ্ধি করা যেতে পারে।

ধারা – ২২
নির্বাহী পরিষদের সভা:
২২.১. নির্বাহী পরিষদের সভা প্রতি মাসে কমপক্ষে একবার অনুষ্ঠিত হবে। এই সভা আহবানের অন্-ত ৫ দিন পূর্বে নোটিশ প্রদান করতে হবে।

ধারা – ২৩
জরুরি সভা:
২৩.১. ফোরামের কোন বিশেষ প্রয়োজনে যদি নির্বাহী পরিষদের কোন সভা আহবান করতে হয় তা হলে কমপক্ষে ২৪ ঘন্টা পূর্বে বিজ্ঞপ্তি প্রদান করে সভা আহবান করতে হবে।

ধারা – ২৪
বিশেষ সভা:
২৪.১. ফোরামের কোন বিশেষ প্রয়োজনে ৭ দিনের বিজ্ঞপ্তিতে বিশেষ আলোচ্য সূচি উল্লেখ করে এই সভা আহবান করতে হবে।

ধারা – ২৫
তলবী সভা:
২৫.১. ফোরামের পরিচালন পদ্ধতি মোতাবেক সাধারণ সভা আহবান করা না হলে (**২/৩) ১/২ এর বেশি সাধারণ সদস্যের স্বাক্ষর সহ সভাপতি বরাবরে সভা সাধারণ সভা আহবানের অনুরোধ জানানো হবে। এই অনুরোধের ২১ দিনের মধ্যে যদি সভাপতি সাধারণ সভা আহবান না করেন তবে সাধারণ সদস্যদের পক্ষ থেকে যে কোনো একজন (**২/৩) ১/২ এর বেশি সাধারণ সদস্যদের স্বাক্ষরসহ তলবী সভা আহবান করতে পারবেন।

ধারা – ২৬
মুলতবী সভা:
২৬.১. কোনো কারণে সভা মুলতবী হলে উক্ত সভাতেই পরবর্তী সভার তারিখ ধার্য করতে হবে, ধার্য তারিখে সভার জন্য কোনো কোরামের প্রয়োজন হবে না।

ধারা – ২৭
কোরাম:
২৭.১. নির্বাহী পরিষদের ১/২ এর বেশি সদস্য উপস্থিত থাকলে নির্বাহী পরিষদের সভার কোরাম পূর্ণ হবে এবং গৃহীত সিদ্ধান্- চূড়ান্- বলে গৃহীত হবে;
২৭.২. সাধারণ পরিষদের ১/২ এর বেশি সদস্য উপস্থিত থাকলে কোরাম পূর্ণ হবে এবং গৃহীত যে কোন সিদ্ধান্- চূড়ান্- বলে গণ্য হবে।

ধারা – ২৮
অর্থ ব্যবস্থাপনা:
২৮.১. যে কোন উৎস থেকে প্রাপ্ত সমুদয় অর্থ সংগঠনের কেন্দ্রীয় তহবিলে জমা হবে। জমাকৃত অর্থ সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্- অনুযায়ী প্রকল্প তহবিল বা পৃথক পৃথক কর্মসূচির জন্য ব্যাংক তহবিলে সংরক্ষণ করা হবে;
২৮.২. ব্যাংক হিসাব পরিচালনার ক্ষেত্রে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং কোষাধ্যক্ষ এই তিনজনের যে কোন দুই জনের স্বাক্ষর দ্বারা প্রধান হিসাব পরিচালিত হবে। প্রকল্প হিসাব পরিচালিত হবে সভাপতির স্বাক্ষরসহ, কোষাধ্যক্ষ এবং প্রকল্প পরিচালক বা দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির মধ্যে যে কোনো এক জনের স্বাক্ষরে;
২৮.৩. ফোরামের যে কোন ব্যয় অনুমোদনের ক্ষেত্রে নির্বাহী পরিষদের অনুমোদন লাগবে;
২৮.৪. বাংলাদেশের যে কোন তফসিল ভূক্ত ব্যাংকে একাউন্ট খোলা যাবে;
২৮.৫. টাকা উত্তোলনসহ যাবতীয় খরচ, আয় ব্যয়ের হিসাব নির্ধারিত রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ রাখতে হবে। উক্ত রেজিস্টার এবং বিল ভাউচার কমপক্ষে ৫ বছর পর্যন্- ফোরাম সচিবালয়ে সংরক্ষিত থাকবে।

ধারা – ২৯
তহবিল গঠন:
২৯.১. সংস্থার লক্ষ্য উদ্দেশ্যকে বাস্-বায়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন দেশী/বিদেশী সহযোগীদের (সংগঠন/ব্যক্তি) অর্থনৈতিক সহযোগিতা, সদস্য/সদস্যাদের চাঁদা, সংগঠনের নিজ কার্যক্রম হতে অর্জিত অর্থ, সরকারি দান, কিংবা অন্য কোন বৈধ উৎস হতে তহবিল গঠিত হবে।
২৯.২. এই প্রতিষ্ঠানের তহবিল বৃদ্ধি কল্পে যে কোন প্রকল্প /কর্মসূচি/অনুষ্ঠান পরিচালনার পূর্বে, যথাযথ কর্তৃপক্ষের পূর্বঅনুমোদন গ্রহণ করা হবে এবং গৃহীত প্রকল্প/কর্মসূচি/ অনুষ্ঠান আয় ও ব্যয়ের পূর্ণ হিসাব তালিকা যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করা হবে।

ধারা – ৩০
হিসাব নিরীক্ষণ:
৩০.১. নির্বাহী পরিষদের চূড়ান্- অনুমোদনের জন্য আয় ব্যয়ের হিসাব কোষাধ্যক্ষ ও সভাপতি কর্তৃক নির্বাহী পরিষদের প্রতি ত্রৈমাসিক মাসিক সভায় উপস্থাপিত হবে।
৩২.২. নির্বাহী পরিষদ যে কোন অভ্যন্-রীণ নিরীক্ষার আয়োজন করতে পারবে।
৩২.৩. বছর শেষে সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্-ক্রমে নির্বাহী পরিষদ কর্তৃক নিয়োগকৃত এবং সরকার কর্তৃক অনুমোদিত যে কোন নিরীক্ষক দ্বারা ফোরামের হিসাব নিরীক্ষা করা হবে।

ধারা – ৩১
পরিচালন পদ্ধতির ব্যাখ্যাদান ও সংশোধন
৩১.১. গঠনতন্ত্রের কোন ধারার ব্যাখ্যায় সংশয় বা মতানৈক্য দেখা দিলে সভাপতি ও নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা ব্যাখ্যা দেবেন।
৩১.২. বার্ষিক অথবা বিশেষ সাধারণ সভায় সদস্যরা মোট ১/২ এর বেশি সদস্যের সমর্থনে পরিচালন পদ্ধতির কোন অংশের সংশোধন বা সংযোজনী আনতে পারবেন। এক্ষেত্রে সংশোধনীর বিষয়টি আলোচ্যসূচিতে অন্-র্ভূক্ত করতে হবে। সংশোধনীটিতে পরবর্তীতে নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন প্রয়োজন হবে।
৩১.৩. কোন সদস্য যদি পরিচালন পদ্ধতিতে সংশোধনী আনা প্রয়োজন মনে করেন তাহলে বার্ষিক সাধারণ সভার ন্যূনতম এক মাস পূর্বে লিখিতভাবে সভাপতিকে অবহিত করবেন। সভাপতি, নির্বাহী পরিষদের কমপক্ষে ১/২ বেশি সদস্যের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে একমত হলে বিষয়টি বিবেচনার্থে সাধারণ সভায় উত্থাপনের জন্য সভার আলোচ্য সূচিতে অন্-র্ভূক্ত করবেন।
৩১.৪. অত্র পরিচালন পদ্ধতির নিয়মাবলীতে যা কিছূ উল্লেখ থাকুক না কেন উক্ত সংস্থাটি ১৯৬১ সালের ৪৬ নং অধ্যাদেশের আওতাভূক্ত এবং দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী সকল কার্য্যক্রম পরিচালিত হবে। অন্যান্য কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে কার্যকরী হবে। অধ্যাদেশ বহির্ভূত কাজের জন্য নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না।

ধারা – ৩২
চ্যাপ্টার কমিটির গঠন ও পরিচালন পদ্ধতি:
৩২.১. চ্যাপ্টার কমিটির গঠন পদ্ধতি, সদস্য সংখ্যা ও অর্থ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রীয় কমিটির নিয়মবালীর ন্যায় সমভাবে প্রযোজ্য হবে।
৩২.২. যদি কোন সংগঠনের কেন্দ্রীয় অফিস ঢাকাতে হয় তাহলে সে সংগঠন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হতে পারবে।
৩২.৩. চ্যাপ্টার কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কেন্দ্রীয় কমিটি নির্বাচনের ক্ষেত্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে।
৩২.৪. কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে দেশের যে কোন জেলা/উপজেলা পর্যায়ের সংগঠন এ কমিটির সদস্য হতে পারবে।

ধারা – ৩৩
বিলুপ্তি:

৩২.১. যদি কোন কারণে সংগঠনের বিলুপ্তির প্রশ্ন উঠে তবে ২/৩ (দুই তৃতীয়াংশ) সাধারণ সদস্যদের অনুমোদন ক্রমে নির্ধারিত ফরমে তালিকাভূক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে হবে। কর্তৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বিলুপ্তি ঘোষণা হওয়ার পর সংগঠনের সকল সম্পত্তি দিয়ে ব্যয় পরিশোধের পর সরকারের কাছে দেয়া যাবে।

সমাপ্ত

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s