২/২, ব্লক-এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা
৮৮০-২-৮৮০-২-৯১১

সদস্য সংগঠণের উদ্যোগ




রুম টু রিড একটি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংগঠন যা বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১৬টি দেশে শিশুদের শিক্ষা সহায়তায় কাজ করে আসছে। সংগঠনটি ২০০৯ সাল থেকে বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষাস্তরে মানসম্মত সাক্ষরতা এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে মেয়েশিশুদের শিক্ষা ও জীবন-দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের অনুমোদনক্রমে মেয়েশিশুদের শিক্ষা সহযোগিতা কার্যক্রমটি ঢাকা, নাটোর, সিরাজগঞ্জ ও কক্সবাজার জেলায় পরিচালিত হচ্ছে। মাধ্যমিক স্তরে কর্মএলাকাভুক্ত ৩৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বর্তমানে প্রায় ৫০০০ মেয়েশিশুকে সহযোগিতা প্রদান করছে। শিশু অধিকার আদায় ও নির্যাতনমুক্ত জীবন নিশ্চিতকরণের আন্দোলনে রুম টু রিড জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরামের সাথে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছে। বিস্তারিত পড়ুন





বাংলাদেশে করোনা মহামারী ছড়িয়ে পড়ার শুরু থেকেই জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে চলেছে। ফোরামের সদস্য ও সহযোগী সংগঠণসমূহও সমানভাবে কখনো যৌথভাবে কখনো একক উদ্যোগে কর্মসূচি সম্পন্ন করছে। করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষার প্রধান উপায় হচ্ছে নিজে সচেতন থাকা এবং অন্যকে সচেতন করা-  এই উপলব্ধি থেকে ফোরাম এবং সহযোগী সংগঠণ ব্র্যাক যৌথ উদ্যোগে সচেতনতামূলক তথ্যসম্বলিত বেশকিছু ফ্লাইওয়ার তৈরি করে। জনগণের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি ও বৃদ্ধির লক্ষ্যে ফ্লাইওয়ারসমুুহ  সচেতনতামূলক প্রচারাভিযানে ভালো ভুমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।


জেন্ডার জাস্টিস এন্ড ডাইভারসিটি প্রোগ্রাম

child marriage
equality
hotline
mental support
Safety

Previous
Next

জেন্ডার জাস্টিস এন্ড ডাইভারসিটি প্রোগ্রাম পিডিএফ ফাইল ডাউনলোড

সদস্য সংগঠন
ফোরাম
সদস্য সংগঠন

করোনার কারণে কর্মহীন বস্তিবাসী ২৩০ টি পরিবারের মাঝে আপন ফাউন্ডেশনের খাদ্য ও স্বাস্থ্য উপকরণ বিতরণ

গত ৩ এপ্রিল ২০২০ তারিখে আপন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ঢাকাস্থ রায়ের বাজার, গুলশান ঝিলপাড় ও উত্তরার ৮ নং সেক্টর রেলগেট বস্তি এলাকার ২৩০ টি দুস্থ পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী ও স্বাস্থ্য উপকরণ বিতরণ করা হয়। সহায়তা গ্রহণকারীরা হলেন আপন ফাউন্ডেশনের ছাত্র-ছাত্রী এবং তাদের পিতামাতা যাদের বেশিরভাগই দিনমুজুর, রিক্সা চালক ও গৃহপরিচারিকা হিসেবে জীবিকা নির্বাহ করেন কিন্তু বর্তমানে মহামারী করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে লকডাউনের কারণে তারা হয়ে পড়ছেন কর্মহীন।

বন্টিত দ্রব্যসামগ্রী হল চাল (৫ কেজি), ডাল (১ কেজি), তেল (১ লি.), আলু (২ কেজি),লবণ(১ কেজি), পেয়াজ(১ কেজি),সাবান ও মাস্ক যা তাদের পরিবারের ৪-৫ সদস্যের জন্য ১ সাপ্তাহের যোগান হবে। আর এই খাদ্য বিতরণ কর্মসূচীর মাধ্যমে আপন ফাউন্ডেশন প্রায় এক হাজার সুবিধাবঞ্চিত অসহায় মানুষের কাছে ত্রাণ সহায়তা পৌছে দিল। এই ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচী সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করতে পূর্বেই টোকেন প্রদান করা হয় এবং সরকার নির্দেশিত সামাজিক দূরত্ব নিয়ম মেনে বিলি করা হয়।

ফোরাম
গুড নেইবারস বাংলাদেশ এর কোভিড ১৯ প্রতিরোধ কর্মসূচির সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন

গুড নেইবারস বাংলাদেশ একটি আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থা। সংগঠণটি ২০১০ সালে জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরামের সদস্যপদ গ্রহণ করে। বর্তমানে অত্যন্ত সক্রিয় সদস্য হিসেবে ফোরামের সাথে যুক্ত রয়েছে। গুড নেইবারস বাংলাদেশ বর্তমানে ২১০০০ শিশু ও তাদের পরিবারের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশের ১১টি জেলার ১৫টি উপজেলা ও থানায় কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে। বিশ্বে কোভিড১৯ ছড়িয়ে পড়ার শুরু থেকেই গুড নেইবারস বাংলাদেশ তার কমিউনিটি, নারী ও শিশু উপকারভোগী, কর্মকর্তা-কর্মচারী তথা সমগ্র বাংলাদেশের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে    প্রতিরোধমূলক বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহন করেছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল –

১.       বাংলাদেশ হেড অফিস এবং ১৪টি সিডিপি তে কোভিড১৯ প্রতিরোধ এ্যাকশন টিম গঠন করা

২.       সেন্ট্রাল এ্যাকশন টিমের পক্ষ থেকে প্রতি সপ্তাহে আপডেট এবং করণীয় নির্দেশনা প্রদান করা

৩.      সচেতনতামূলক বার্তা সম্পর্কিত লিফলেট ফেসবুক পেইজ এবং কমিউনিটিতে প্রদান করা

৪.       সচেতনতামূলক সেশন স্টাফ এবং কমিউনিটির জনগণের সাথে পরিচারনা করা

৫.       স্টাফ এবং কমিউনিটিতে উপকরণ বিতরণ করা (হ্যান্ড ওয়াশ/সাবান/ স্যানিটাইজার, ফেইস মাস্ক)

৬.       প্রতিদিন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শারীরিক তাপমাত্রা স্ক্রিনিং করা  

৭.       সচেতনতামূলক বার্তা সম্পর্কিত ভিডিও প্রদর্শন

৮.      ঢাকার মিরপুর ও গুলশান এলাকায় মোবাইল হ্যান্ড ওয়াশিং বুথ, ফেইস মাস্ক, লিফলেট বিতরণ এবং সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা

এছাড়াও গুড নেইবারস বাংলাদেশ প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ সাপেক্ষে কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছে। বর্তমানে অসহায় ও দুঃস্থ মানুষকে ত্রাণ সহায়তা প্রদানে কাজ করছে গুড নেইবারস বাংলাদেশ।

করোনার কারনে সিরাজগঞ্জে খাবার না পেয়ে কন্যাশিশুর আত্মহত্যা

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে বাবার কাছে খাবার চেয়েও না পেয়ে ক্ষুদার জালা সহ্য করতে না পারে গলায় ওরনা পেঁচিয়ে ফাঁস লাগিয়ে এক কন্যাশিশু আত্মহত্যা করছে। গত ১০ এপ্রিল ২০২০ বিকাল সারে চারটার দিকে বেলকুচি পৌর এলাকার কামারপাড়া গ্রামের ওয়াবদা খাদের উপড় বসবাসরত তাদের ঘরে এ ঘটনা ঘটে। নিহত কিশোরী আফরোজা খাতুন (১০) ঐ গ্রামের আলম শেখের মেয়ে। নিহত কিশোরীর পিতা আলম শেখ কাঁন্না জরিত কন্ঠে বলেন, করোনা ভাইরাসের কারনে সরকার বাহিরে যেতে মানা করেছে। তাই কয়দিন ধরে কাজ করতে পারছিনা। বাজারও করতে পারছিনা। বিকালে মেয়ে আমার কাছে খাবার চেয়েছে। আমি খাবার দিতে পারিনি। বাড়িতে খাবার না থাকায় রাগ করে ঘরের ভিতরে ধরনার সাথে গলায় সাথে ওরনা পেঁছিয়ে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে। তাঁত শ্রমিক বাবার পক্ষে কাজ বন্ধ থাকায় খাবারের সংকটে পড়ে এই পরিবার।

গত ১৫ এপ্রিল ২০২০ তারিখে উক্ত পরিবারকে জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম সম্পাদক নাছিমা আক্তার জলি দুই হাজার টাকা ও ফোরামের স্থানীয় সদস্য সংগঠন ডেভেলপমেন্ট ফর ডিজএ্যাডভান্টেজড পিপল (ডিডিপি)এর পক্ষ হতে এক হাজারসহ মোট তিন হাজার টাকা নগদ সহায়তা প্রদান করা হয়। এছাড়া এই পরিবার কে মনো-সামাজিক সাপোর্ট দেয়া হয়।পরিবারটির নিয়মিত খোজখবর নেয়া হচ্ছে।

কোভিড ১৯ ও এডুকো বাংলাদেশের উদ্যোগ

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রামণের সম্ভাবনার শুরু থেকেই এডুকো বাংলাদেশ করোনা সম্পর্কিত পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে আসছে। এই পরিস্থিতির প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া স্বরূপ ১১ সদস্য বিশিষ্ট ইনসিডেন্ট ম্যানেজমেন্ট টিম গঠন করেছে। এডুকো বাংলাদেশ, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী তাদের তত্বাবধানে পরিচালিত সকল স্কুল ছুটি ঘোষণা করেছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত তা বহাল খাকবে বলে ঘোষণা দিয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের এই নির্দেশনা জারির পূর্বেই, করোনা ভাইরাসের বৈশ্বিক অবস্থা বিবেচনা করে, স্কুল এবং অফিস সমূহে এই সংক্রমণরোধে এডুকো বাংলাদেশ বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, যেমন স্কুল/অফিস কম্পাউন্ডে প্রবেশমাত্র বাধ্যতামূলক হাত ধোয়া, হ্যান্ড স্যানিটাইজারের পর্যাপ্ত ও যথোপোযুক্ত ব্যবহার নিশ্চিত করা,   স্কুল এবং কমিউনিটিতে করোনা সম্পর্কিত সচেতনতামূলক সভার আয়োজন করা ইত্যাদি। বর্তমানে, স্কুল ও অফিস সমূহে কর্মরত সকল স্টাফদের সুরক্ষার কথা বিবেচনা করে বাড়ী থেকে কাজ করার সুযোগ করে দিয়েছে। যে সকল দেশে এডুকো কাজ করছে, তাদের প্রতিনিধিদের মনোসামাজিক কাউন্সেলিং-এর জন্য ট্রেনিং দিয়েছে এবং আন্তর্জাতিক ভাবে, সকল স্টাফদের মনোসামাজিক সহায়তার জন্য হটলাইন চালু করেছে। করোনা সম্পর্কিত পরিস্থিতি মোকাবেলায় সকল প্রকার জনসমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণার পর এডুকো বাংলাদেশের শিক্ষকবৃন্দ নিয়মিত তাদের শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের সাথে ফোনে যোগাযোগ করছেন, প্রয়োজনমাফিক মনোসামাজিক কাউন্সেলিং-এরও ব্যবস্থা করছেন।

“GNB- AGENDA FOR ACTION BRIEFING” and “Joint messages on Gender Equality during and after COVID-19”

COVID-19 Gender Equality

KEEP IT EQUAL WITHIN FAMILY DURING AND AFTER COVID-19 

Happy together at home

Let’s eat together and share nutritious foods equally
• Listen and talk to each other freely and openly without any fear of expressing
• Let’s spend happy family time together
• Trust and support each other to reduce stress
• Speak out against or stop any kind of violence against women and children
• Be respectful, caring nd equitable in your relationship with women.

Translate »