জাতীয় কন্যাশিশু দিবস-২০১৮ উদ্‌যাপন

‘আজকের শিশুরাই গড়ে তুলবে আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ’: মেহের আফরোজ চুমকি এমপি

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব মেহের আফরোজ চুমকি এমপি বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার দেশের সকল শিশু বিশেষ করে কন্যাশিশুদের অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ। কারণ আমরা মনে করি, কন্যাশিশুরা সুরক্ষা ও অধিকার পেলে তারা শিক্ষিত, যোগ্য ও উপার্জন হয়ে গড়ে উঠতে পারবে। এর মাধ্যমে জাতি হিসেবে আমরা এগিয়ে যাবো।’  বাংলাদেশ শিশু একাডেমী ও জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম-এর যৌথ উদ্যোগে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস-২০১৮ উদ্‌যাপন উপলক্ষে আয়োজিত র‌্যালি পূর্ব সমাবেশে মাননীয় মন্ত্রী উক্ত মন্তব্য করেন। Continue reading “জাতীয় কন্যাশিশু দিবস-২০১৮ উদ্‌যাপন”

জাতীয়ভাবে চিত্রাঙ্কণ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম কর্তৃক জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা গত ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ তারিখ ঢাকা শিশু একাডেমীতে অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম এবং বাংলাদেশ শিশু একাডেমীর যৌথ আয়োজনে প্রতিযোগিতাটি সম্পন্ন করা হয়।

প্রতিযোগিতার বিষয়সমূহ ছিল ‘ক’ গ্রুপ (০৪-০৭ বৎসর) – উম্মুক্ত (যেকোন বিষয়-পছন্দমত), ‘খ’ গ্রুপ (০৮-১১ বৎসর) – আমার স্বপ্ন, আমার দেশ, ‘গ’ গ্রুপ (১২-১৫ বৎসর) – নিরাপদ পরিবেশ।
৬২০ জন শিশুর অংশগ্রহণে অত্যন্ত উৎসবমূখর পরিবেশে প্রতিযোগিতাটি সম্পন্ন করা হয়। দিবস উপলক্ষে প্রতিবছর কেন্দ্রিয়ভাবে প্রতিযোগিতাটি আয়োজন করা হচ্ছে। আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে ব্যাপকভাবে জনসচেতনতা তৈরি করা, যার মধ্য দিয়ে কন্যাশিশুদের প্রতি সমাজের প্রচলিত দৃষ্টিভঙ্গী পরিবর্তিত হয়। এছাড়াও শিশুকাল থেকেই যাতে শিশুরা বিশেষ করে কন্যাশিশুরা তাদের অধিকার এবং মূল্যবোধ সম্পর্কে সচেতন থাকতে পারে। সম অধিকার, সম সুযোগ, সম অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে তারা সম চিন্তাশীল মনোভাব/মানসিকতা নিয়ে বেড়ে উঠতে পারে সুস্থ, সুন্দর, নিরাপদ পরিবেশে।

প্রস্তাবিত ‘যৌন হয়রানি প্রতিরোধ ও সুরক্ষা আইন ২০১৮’ হস্তান্তর সম্পর্কিত সভা অনুষ্ঠিত

যৌন হয়রানি প্রতিরোধ ও যৌন হয়রানি থেকে নারীদের সুরক্ষা দেয়ার জন্য আমাদের দেশে এই সংক্রান্ত একটি পাশ হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার জনাব মো. ফজলে রাব্বী মিয়া, এমপি। তিনি পার্লামেন্টারিয়ান ককাস অন চাইল্ড রাইটস এবং জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম-এর উদ্যোগে প্রস্তাবিত ‘যৌন হয়রানি প্রতিরোধ ও সুরক্ষা আইন ২০১৮’ হস্তান্তর সম্পর্কিত এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উক্ত মন্তব্য করেন।

সভাটি ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮, জাতীয় সংসদ ভবনের মিনিস্টার হোস্টেল সংলগ্ন আইপিডি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জনাব মীর শওকাত আলী বাদশা এমপি- মাননীয় সভাপতি, পার্লামেন্টারিয়ান ককাস অন চাইল্ড রাইটস, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ। সভায় মাননীয় সংসদ সদ্যস্যদের মধ্যে জনাব নাজমুল হক প্রধান, মনোরঞ্জন শীল গোপাল, জেবুন্নেসা হীরণ, মো. আবুল কালাম, পঞ্চানন বিশ্বাস, মো. ইয়াসিন আলী, কাজী রোজী, অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম, কামরম্নন্নাহার চৌধুরী, অ্যাডভোকেট নাভানা আক্তার, উম্মে রাজিয়া কাজল এবং অ্যাডভোকেট হোসনে আরাসহ ১৫জন সংসদ সদস্য উপস্থিত ছিলেন। সভাটি সঞ্চালনা করেন জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম-এর সভাপতি ড. বদিউল আলম মজুমদার। এছাড়া সভায় চারজন সিনিয়র জজ এবং বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। গার্লস অ্যাডভোকেসি অ্যালায়েন্স এবং প্ল্যান ইন্ট্যারন্যাশনাল বাংলাদেশ-এর সহায়তায় উক্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়। Continue reading “প্রস্তাবিত ‘যৌন হয়রানি প্রতিরোধ ও সুরক্ষা আইন ২০১৮’ হস্তান্তর সম্পর্কিত সভা অনুষ্ঠিত”

“যৌন হয়রানি প্রতিরোধ ও সুরক্ষার জন্য সমন্বিত খসড়া আইন, ২০১৮” শীর্ষক এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

২০০৯ সালে ‘বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতি’র দায়ের করা এক রিট পিটিশনের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি প্রতিরোধের লক্ষ্যে এক যুগান্তকারী রায় প্রদান করেন। ইতিমধ্যে প্রায় এক দশক অতিবাহিত হয়ে গেছে। কিন্তু বর্তমান সময়ে নারী ও শিশুর প্রতি সর্বক্ষেত্রে যৌন হয়রানির ব্যাপকতা ক্রমেই বেড়ে চলেছে এবং সর্বক্ষেত্রে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে একটি পূর্ণাঙ্গ আইন প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।

এমন প্রেক্ষাপটে আজ ৯ জুন (শনিবার) ২০১৮, সকাল ১০:৩০টায়, ডেইলি স্টার ভবনের আজিমুর রহমান সম্মেলন কক্ষে ‘সকল ক্ষেত্রে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ ও সুরক্ষার জন্য খসড়া আইন, ২০১৮’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম ও বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতি -এর যৌথ উদ্যোগে এবং প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-এর গার্লস অ্যাডভোকেসি অ্যালায়েন্স প্রকল্প-এর সহায়তায় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় ছয়জন জেলা জজ, তিনজন পাবলিক প্রসিকিউটর, একজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, বারোজন সিনিয়র আইনজীবী এবং বিভিন্ন সংস্থায় নিয়োজিত আইনজীবিসহ বেশকিছু প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভাটি সঞ্চালক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ‘সুজন’ সম্পাদক ও জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম-এর সভাপতি ড. বদিউল আলম মজুমদার।

সভার শুরুতে ‘যৌন হয়রানি প্রতিরোধ ও সুরক্ষা আইন, ২০১৮’ শীর্ষক একটা খসড়া আইন উত্থাপন করেন ‘বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতি’র পরিচালক তৌহিদা খন্দকার। এরপর উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে খসড়া আইনের বিভিন্ন দিক নিয়ে নিজ নিজ মতামত তুলে ধরেন আমন্ত্রিত অতিথি ও বিভিন্ন সংস্থা থেকে আগত আইনজীবি ও প্রতিনিধিবৃন্দ।

সূচনা বক্তব্যে ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘একটি সমাজ কতটা সভ্য তা নির্ভর করে সে দেশের অপেক্ষাকৃত দুর্বল জনগোষ্ঠী কতটা ভালো আছে, তার ওপর। আমরা দেখি, আমাদের সমাজে নারীরা এখনো পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী এবং তারা বিভিন্ন অবহেলা ও নির্যাতনের শিকার। তাদের ওপর সবচেয়ে বড় নির্যাতন হলো যৌন নির্যাতন। আমরা মনে করি, তাদের প্রতি নির্যাতন রোধে প্রথমত একটি সমন্বিত আইন হওয়া দরকার।’

উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে বক্তারা বলেন, ‘যৌন হয়রানি এখন নিত্য দিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঘরে, পথে, ঘাটে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং কর্মক্ষেত্র সর্বত্রই যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছেন নারীরা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কর্মক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের অসচেতনতা এবং আদালতের নির্দেশনা না জানা অথবা জানলেও তা না মানার কারণে কমছে না যৌন হয়রানির ঘটনা। বর্তমানে যৌন হয়রানি একটি সামাজিক ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। এটি এখন শুধু বাংলাদেশের সমস্যা নয়, এটি বৈশ্বিক সমস্যায় রূপ নিয়েছে। সমস্যাটিতে প্রতিনিয়ত যুক্ত হচ্ছে নতুন মাত্রা। এক হিসেবে দেখা যায়, বর্তমানে সারা বিশ্বে প্রতি দশ জন নারীর মধ্যে নয়জন নারীই জীবনের কোনো না কোনো পর্যায়ে যৌন হয়রানি শিকার হন। হাইকোর্টের নির্দেশনা প্রণয়নের দীর্ঘ নয় বছর পরেও কর্মক্ষেত্র এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা পরিলক্ষিত হচ্ছে না। তাই বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো আমাদের দেশেও সকল ক্ষেত্রে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে একটি পৃথক ও পূর্ণাঙ্গ আইন প্রণয়ন অপরিহার্য।’

সভার শেষ পর্যায়ে সভা থেকে পাওয়া সুপারিশসমূহ সংযোজন বিয়োজন করে একটি সমন্বিত যৌন হয়রানি প্রতিরোধ ও সুরক্ষা আইনের খসড়া তৈরির জন্য একজন জেলা বিচারপতির নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়।

পার্লামেন্টারিয়ান ককাস অন চাইল্ড রাইটস কমিটির সাথে সকল ক্ষেত্রে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে পূর্ণাঙ্গ আইন প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা শীর্ষক সভা

তারিখঃ ২০ নভেম্বর, ২০১৭
স্থানঃ আইপিডি মিলনায়তন, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবন

যৌথ আয়োজনঃ পার্লামেন্টারিয়ান ককাস অন চাইল্ড রাইটস এবং জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম
সহযোগিতায়ঃ গার্লস অ্যাডভোকেসি এ্যালায়েন্স, প্ল্যান ইন্ট্যারন্যাশনাল বাংলাদেশ।

প্রধান অতিথিঃ জনাব মোঃ ফজলে রাব্বী মিয়া, এমপি
মাননীয় ডেপুটি স্পিকার, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ
সভাপতিঃ জনাব মীর শওকাত আলী বাদশা, এমপি
মাননীয় সভাপতি, পার্লামেন্টারিয়ান ককাস অন চাইল্ড রাইটস, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ

স্বাগত বক্তব্য ও সারসংক্ষেপ উপস্থাপনঃ ড. বদিউল আলম মজুমদার, সভাপতি- জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম, গ্লোবাল ভাইস প্রেসিডেন্ট ও কান্ট্রি ডিরেক্টর, দি হাঙ্গার প্রজেক্ট
স্বাগত মন্তব্য উপস্থাপনঃ জনাব সৌম্য ব্রত গুহ, ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর, প্ল্যান ইন্ট্যারন্যাশনাল বাংলাদেশ

অন্যান্য অতিথিঃ পার্লামেন্টারিয়ান ককাস অন চাইল্ড রাইটস এর সদস্য ১১ জন সংসদ সদস্য, ফোরাম কার্যনির্বাহী সদস্য ও ফোরাম এর কেন্দ্রিয় সদস্য এবং সিভিল সোসাইটি সদস্য।

সভার উদ্দেশ্যঃ
বাংলাদেশে নারী ও শিশুর জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং উন্মুক্ত স্থানে চলাফেরার সামগ্রিক (হাট-বাজার, রাস্তা ও পরিবহণ) নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে যৌন হয়রানির বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং বিদ্যমান আইন ও নীতিমালার সীমাবদ্ধতাসমূহ বিশ্লেষণপূর্বক যৌনহয়রানি প্রতিরোধে একটি পূর্ণাঙ্গ আইন প্রণয়নের যৌক্তিকতা উপস্থাপন। যা, এখন পর্যন্ত আমাদের দেশে অবর্তমান।

মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে সকল ক্ষেত্রে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে পূর্ণাঙ্গ আইন প্রণয়ন।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনঃ
জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরামের সম্পাদক নাছিমা আক্তার জলি মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন। প্রবন্ধের শিরোনাম হলঃ
– বিগত কয়েক বছরের পরিসংখ্যান
– যৌন হয়রানি প্রতিরোধে বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগ
– হাইকোর্টের নির্দেশনা কি
– যৌন হয়রানির পরিস্থিতি পর্যালোচনা
– যৌন হয়রানি প্রতিরোধে আইন ও নির্দেশনার সীমাবদ্ধতা
– যৌন হয়রানি বন্ধে চাই পূর্ণাঙ্গ আইন

পূর্ণাঙ্গ আইন কেন জরুরীঃ
যৌন হয়রানি বিষয়ে একটি সমন্বিত আইন নারী ও কন্যাশিশুদের সকল ক্ষেত্রে চলাচলের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করবে, কন্যাশিশু ও নারীদের অভিগম্যতা বৃদ্ধি পাবে, নারী শিক্ষা নিশ্চিত হবে, কন্যাশিশুদের লেখাপড়া থেকে ঝরে পড়া ও বাল্যবিবাহ হ্রাস পাবে, কন্যাশিশু ও নারীরা আয়মূলক কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ত হবে। এসডিজি অর্জনে এই আইন সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করবে।

সভায় আইনটি প্রনয়নের যৌক্তিকতা তুলে ধরে আরও বেশকিছু সুপারিশ উপস্থাপনঃ
– যৌন হয়ারনি প্রতিরোধে শক্তিশালী রাজনৈতিক অঙ্গীকার প্রয়োজন। অপরাধ করে পার পেয়ে যাওয়ার প্রবণতাকে বন্ধ করতে হবে এবং অপরাধীকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেয়া থেকে বিরত থাকা;
– আইনের অষ্পতটা, ভয়ে মামলা না করা, ক্রটিপূর্ণ তদন্ত বিচারে দীর্ঘ প্রক্রিয়া, সামাজিক ও প্রশাসনের নির্লিপ্ততাসহ নানা কারণে যৌন নির্যাতন বন্ধ হচ্ছেনা। বিচারিক প্রক্রিয়ার সকল পুরুষতান্ত্রিক ফাঁক বা মানসিকতা বন্ধ করা;
– সমাজকে সুস্থ করতে, শিক্ষা, শ্রদ্ধা, সম্মান সর্বোপরি মানসিকতা ও দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের জন্য কাজ করতে হবে। স্কুলের পাশাপাশি পরিবার থেকেও সন্তানদেরকে নারীদের সম্মান করা শেখাতে হবে।
– গণমাধ্যমকে যৌন হয়রানির বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে আরও বেশি কাজ করতে হবে
– আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকেও যৌন হয়রানি মোকাবেলায় সক্ষম ও সংবেদনশীল করে তোলার পাশাপাশি জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে।

সভার তাৎক্ষনিক ফলাফলঃ
– সংসদ সদস্যগনের কাছ থেকে প্রতিশ্রুতি পাওয়া। সদস্যগণ প্রত্যেকে স্ব স্ব নির্বাচনী এলাকায় যৌন হয়রানী বন্ধে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীসহ প্রতিটি স্টেকহোল্ডারকে জোড়ালো ভূমিকা পালনে বাধ্য করবেন।
– পূর্ণাঙ্গ যৌনহয়রানি প্রতিরোধ আইন প্রণয়ণ যে অত্যন্ত জরুরী – উপস্থিত সংসদ সদস্যগণ প্রত্যেকে তা অনুধাবন করে বক্তব্য দিয়েছেন। পূর্ণাঙ্গ আইন প্রনয়নের দাবী সংসদ সদস্যগন আগামী জানুয়ারী মাসের শীতকালীন সংসদ অধিবেশনে উপস্থাপনের প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন।
– অতি দ্রুত এ সংক্রান্ত কার্যক্রম গ্রহণ করার জন্যে প্রধান অতিথি মাননীয় ডেপুটি স্পিকার পরামর্শ প্রদান করেন এবং ককাস এর সভাপতিকে জরুরী ভিত্তিতে কার্যকরী কমিটির সদস্য ও যৌন হয়রানি প্রতিরোধে কর্মরত সক্রিয় সদস্যদের উপস্থিতিতে সভা আয়োজনের আহবান জানান।
-খসড়া আ্ইনটি সংসদে উপস্থাপনের সঙ্গে সঙ্গে সংসদে তা পাশ করানোর প্রতিশ্রুতি মাননীয় ডেপুটি স্পিকারএর কাছ থেকে পাওয়া।

অতি দ্রুত আইনটি পাশ করানোর লক্ষ্যে প্রধান অতিথি কর্তৃক প্রয়োজনীয় পরামর্শঃ
– অতিদ্রুত সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয় এর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, যেমন: সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, আইন মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ বেশকিছু মন্ত্রণালয় এবং এ সংশ্লিষ্ট বেশকিছু সংসদীয় কমিটির প্রধানদের সমন্বয়ে একটি ফলপ্রসূ সভা আয়োজনের উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য সংসদীয় ককাস অন চাইল্ড রাইটস কমিটির সভাপতি এবং জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরামকে পরামর্শ প্রদান।
– কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে আইনটি পাশ করা যাবে, তা উক্ত সভা থেকে বের করে আনা।
– অতি দ্রুত পাশ করানোর লক্ষ্যে আইনের একটি খসড়া তৈরি করা, প্রয়োজনে ২০১০ সালে আইন কমিশনে দাখিলকৃত খসড়াটি (রিপোর্ট নং ১০০ ও ১০১) সংশোধন ও সংযোজন করে চূড়ান্ত খসড়া তৈরী এবং আগামী জানুয়ারী ২০১৮ এর সংসদ অধিবেশনে পাশ করানের জন্য উপস্থাপনের দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ ।

সর্বোপরি, প্রধান অতিথি মাননীয় ডেপুটি স্পিকার, অদ্যকার সভার সভাপতি ও পার্লামেন্টারিয়ান ককাস অন চাইল্ড রাইটস কমিটির চেয়ারপার্সনকে উদ্দেশ্য করে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে বলেন, আগামী জানুয়ারী ২০১৮ এর শীতকালীন অধিবেশনে সংসদে এই আইনটি উত্থাপিত হলে, পাশ করানোর শতভাগ প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি।

পরবর্তী করণীয়ঃ
– একটি পূর্ণাঙ্গ খসড়া আইন তৈরি করা
– আগামী শীতকালীন সংসদ অধিবেশনের সময় খসড়া পূর্ণাঙ্গ আইনটি হস্তান্তর করা
– পার্লামেন্টারিয়ান ককাস অন চাইল্ড রাইটস এর চেয়ারম্যানের মাধ্যমে আন্ত:মন্ত্রণালয়ের সভা আহ্বান করা এবং সেখানে খসড়া আইনটি উপস্থাপন করা
– সভা থেকে সকল ক্ষেত্রে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে পূর্ণাঙ্গ আইনটি সংসদে উত্থাপনের উপযোগী করা এবং কোন মন্ত্রণালয়ের অধিনে আইনটি হবে, তা সভা থেকে নির্দিষ্ট করা।
– সংসদ সদস্যগণ স্ব স্ব নির্বাচনি এলাকায় যৌন হয়রানি বন্ধে সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠান এর সমন্বয়ে সক্রিয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন এবং সে বিষয়ে ফোরাম তাদের সাথে যৌথভাবে কাজ করা।

জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম-এর উদ্যোগে আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০১৮ উদ্‌যাপন

‘বদলে দেবার সময় এখন, গ্রাম-শহরের নারীর জীবন’- এই স্লোগানকে সামনে রেখে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম-এর উদ্যোগে উদ্‌যাপিত হলো আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০১৮। এ উপলক্ষে ০৯ মার্চ, ২০১৮ সকাল ৮.৩০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকা থেকে থেকে বাংলাদেশ শিশু একাডেমী পর্যন্ত এক র‌্যালি এবং র‌্যালি শেষে সকাল ১০:০০টায় বাংলাদেশ শিশু একাডেমী-এর অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভা, সম্মাননা প্রদান এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

র‌্যালির উদ্বোধন ঘোষণা করেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব মেহের আফরোজ চুমকি এমপি। ব্যানার, প্লাকার্ড নিয়ে ৩৬টি সংগঠন থেকে আগত প্রায় এক হাজার নারী-পুরুষ র‌্যালিতে অংশগ্রহণ করেন।

আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব কাজী রোজী এমপি। সূচনা বক্তব্য দেন জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম-এর সম্পাদক নাছিমা আক্তার জলি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নারীমেত্রীর নির্বাহী পরিচালক জনাব শাহীন আক্তার ডলি। Continue reading “জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম-এর উদ্যোগে আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০১৮ উদ্‌যাপন”

আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস-২০১৭ উদ্‌যাপন

বাংলাদেশ শিশু একাডেমী ও জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম-এর উদ্যোগে র‌্যালি, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস-২০১৭ উদ্‌যাপন

‘কন্যাশিশুর জাগরণ, আনবে দেশে উন্নয়ন’- এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ শিশু একাডেমী ও জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম-এর যৌথ উদ্যোগে উদ্‌যাপিত হলো জাতীয় কন্যাশিশু দিবস-২০১৭। দিবসটি উদ্‌যাপন উপলক্ষে আজ শুক্রবার, ১৩ অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৮:৪৫টায় শাহবাগ জাতীয় যাদুঘরের সামনে থেকে বাংলাদেশ শিশু একাডেমী পর্যন- এক র‌্যালি এবং র‌্যালি শেষে সকাল ১০:০০টায় বাংলাদেশ শিশু একাডেমী মিলনায়তনে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

র‌্যালি উদ্বোধন এবং আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপসি’ত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব মেহের আফরোজ চুমকি এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপসি’ত ছিলেন জনাব নাছিমা বেগম এনডিসি- মাননীয় সচিব, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, জনাব সেলিনা হোসেন, চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ শিশু একাডেমী এবং জনাব মার্ক পিয়ার্স, কান্ট্রি ডিরেক্টর, সেভ দি চিলড্রেন। এছাড়া সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপসি’ত থাকবেন জনাব শাহিন আক্তার ডলি। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম-এর সম্পাদক জনাব নাছিমা আক্তার জলি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ শিশু একাডেমীর পরিচালক জনাব আনজির লিটন। Continue reading “আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস-২০১৭ উদ্‌যাপন”

ছোট ছোট সোনামনিদের ছবি আঁকার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হলো চিত্রাঙ্কণ প্রতিযোগিতা

জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে কেন্দ্রিয়ভাবে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা গত ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ তারিখ ঢাকা শিশু একাডেমীতে অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম এবং বাংলাদেশ শিশু একাডেমীর যৌথ আয়োজনে এবং সেভ দ্য চিল্ড্রেন এর আর্থিক সহায়তায় প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয। প্রতিযোগিতার বিষয়সমূহ ছিল ‘ক’ বিভাগ (০৫-০৮ বৎসর): উম্মুক্ত (যেকোন বিষয়-পছন্দমত), ‘খ’ বিভাগ (০৯-১২ বৎসর): বন্যাজয়ী কন্যা, ‘গ’ বিভাগ (১৩-১৬ বৎসর): ছেলেমেয়ে বিভেদ নাই, বেড়ে উঠার পরিবেশ চাই। ৮২৭ জন শিশুর অংশগ্রহণে অত্যন- সুন্দর পরিবেশে প্রতিযোগিতাটি সম্পন্ন করা হয়।
প্রতিবছর কেন্দ্রিয়ভাবে প্রতিযোগিতাটি আয়োজন করা হচ্ছে। আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে ব্যাপকভাবে জনসচেতনতা তৈরি করা, যার মধ্য দিয়ে কন্যাশিশুদের প্রতি সমাজের প্রচলিত দৃষ্টিভঙ্গী পরিবর্তিত হয়। এছাড়াও শিশুকাল থেকেই যাতে শিশুরা বিশেষ করে কন্যাশিশুরা তাদের অধিকার এবং মূল্যবোধ সমপর্কে সচেতন থাকতে পারে। সম অধিকার, সম সুযোগ, সম অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে তারা সম চিন-াশীল মনোভাব/মানসিকতা নিয়ে বেড়ে উঠতে পারে সুস’্য, সুন্দর, নিরাপদ পরিবেশে।

সম্পন্ন হল ফোরামের বাৎসরিক সাধারণ সভা–২০১৭

গত ১৩ জুলাই, ২০১৭ জাতীয় কন্যাশিশু এডভোকেসি ফোরামের বাৎসরিক সাধারণ সভা সদস্যদের স্বত:স্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঢাকাকেন্দ্রিক এবং ঢাকার বাইনের ৮৬ জন সদস্যদের উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ওয়াইডাব্লিউসিএ’র কনফারেন্স রুমে সভার আযোজন করা হয়। কার্যনির্বাহী পরিষদের সকল সদস্যগণের উপস্থিতিতে বাৎসরিক সভায় বেশকিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। পরিচিতি পর্ব দিয়ে সভার শুরু। উপস্থিত সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ফোরাম সভাপতি ড. বদিউল আলম মজুমদার সভার কার্যক্রম এর উদ্ধোধন ঘোষণা করেন। সম্পাদক জনাব নাছিমা আক্তার জলির স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সভার কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর গত ২০১৫ জুলাই থেকে ২০১৭’র এপ্রিল মাস পর্যন্ত অনুষ্ঠিত কার্যক্রমের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা উপস্থাপন করেন ফোরাম সদস্য জনাব জাহিদুল হক খান। উপস্থাপিত সংক্ষিপ্ত কার্যক্রমের উপর মুক্ত আলোচনা পরবর্তী ফোরামের গঠণতন্ত্রের সংশোধনি আনার বিষয়ে প্রস্তাবিত সংশোধনি উপস্থাপন করেন ফোরাম সম্পাদক জনাব নাছিমা আ্ক্তার জলি। উপস্থিত সদস্যগণের স্বত:স্ফূর্ত আলাপ আলোচনার ভিত্তিতে সভায় ফোরামের গঠণতন্ত্রে বেশকিছু সংশোধনি আনা হয়। সংশোধনি পরবর্তী ফোরামের অডিট রিপোর্ট ২০১৬ সভায় উপস্থাপন করেন ফোরাম সম্পাদক। সকলের সর্বসম্মতিক্রমে তা পাশ করা হয়। বাৎসরিক সাধারণ সভা শেষে ফোরাম সভাপতি ড. বদিউল আলম মজুমদার ২০১৫-২০১৭ সালের গঠিত কার্যনির্বাহী পরিষদ এর বিলুপ্তি ঘোষণা করেন। এবং পরবর্তীতে ২০১৭-১৯ মেয়াদের কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

গঠিত হলো ফোরামের কার্যনির্বাহী পরিষদ ২০১৭-২০১৯

আমরা অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, গত ১৩ জুলাই, ২০১৭ জাতীয় কন্যাশিশু এডভোকেসি ফোরামের কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন ২০১৭-২০১৯ অনুষ্ঠিত হলো। ভোটারদের স্বত:স্ফূর্ত অংশগ্রহণে গোপন ব্যালটে ভোট প্রদানের মাধ্যমে ৮৬জন ভোটারের উপস্থিতিতে নির্বাচন সম্পন্ন করা হয়। প্রাথমিকভাবে ১১জন প্রার্থী কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে বিজয়ী হয়েছেন। পরবর্তীতে ১১ জন বিজয়ী প্রার্থী আলাপ আলোচনার ভিত্তিতে নিজেদের মধ্যে ফোরামের পদবী নির্ধারণ করবেন। Continue reading “গঠিত হলো ফোরামের কার্যনির্বাহী পরিষদ ২০১৭-২০১৯”